অ্যালেস্টেয়ার কুক ও মঈন আলির প্রাথমিক প্রতিরোধ থামিয়ে দিয়ে দিনের শেষে অ্যাডভান্টেজ ভারত। সৌজন্যে সেই পেসব্রিগেড। যে ছবি গত চারটে টেস্টেই দেখে আসছি। ওভালেও সেই চিত্র। বেশ সুখকর আর তৃপ্তির।  

অথচ কুক আর মঈনের পার্টনারশিপটার সময় মনে হয়নি সেটা। তার একটা কারণ অবশ্য ভারতীয় ফিল্ডিং। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই চার বলের মধ্যে দু’বার ক্যাচ পড়ল। একবার অজিঙ্ক রাহানে ফেলল কুকের ক্যাচ। তার পরের ওভারেই পড়ল মঈনের ক্যাচ। এবার বিরাট কোহলি। ওই দুটো ক্যাচ ধরতে পারলে আরও আগেই হয়তো ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলা যেত।

কুকের প্রসঙ্গে আসি। শেষ টেস্টেও কিন্তু নিজের জাতটা ঠিক চিনিয়ে গেল। ইংল্যান্ডের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। তবে ওর অবসরের সিদ্ধান্ত একেবারে সঠিক। চলতি সিরিজে বারবারই ওকে অস্বস্তিতে ফেলেছে ভারতীয় বোলাররা। অ্যাশেজেও শেষ টেস্টটা ছাড়া সেভাবে রান পায়নি। দেখে মনে হচ্ছিল, কিছুটা আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগছে। এদিনও বড্ড মন্থর খেলল। তবে তার জন্য কৃতিত্ব দিতে হবে যশপ্রীত বুমরা, ইশান্ত শর্মাদেরও। মহম্মদ শামিও সুইং পাচ্ছিল। মঈনকে বারবার পরাস্ত করছিল। দুর্ভাগ্য সেগুলো ব্যাটের কানায় লাগল না। তবে ভারতের দল নির্বাচনটা আমার পছন্দ হয়নি। কেন হনুমা বিহারী? করুণ নায়ার নয় কেন? ওর তো টেস্টে একটা তিনশোও রয়েছে।  
ইংল্যান্ডকে ২২৫ এর মধ্যে অল আউট করতে হবে। আর বড় লিড নিতে হবে। শেষ টেস্টে অন্তত একটু দায়িত্ববোধ  দেখাক কে এল রাহুলরা!