আগেও বলেছি। আজ আবার বলছি। বিরাট কোহলির খেলার ওপর নির্ভর করে ভারতের জয় পরাজয়! সাউদাম্পটনেও সেটা আবার প্রমাণিত।
ভাবিনি ২৪৫ রানের লক্ষ্যের সামনেও ভারতের ব্যাটিং এভাবে আত্মসমপর্ণ করবে! ৬০ রানে হেরে সিরিজটা ইংল্যান্ডকে উপহার দেবে। কোহলি আর রাহানে জুটি যতক্ষণ উইকেটে ছিল (১০১ রানের পার্টনারশিপ) তখনও একবারও মনে হয়নি ম্যাচ হারবে ভারত। 

বলতে বাধ্য হচ্ছি। ভারতকে জিততে হলে কোহলি’কে খেলতে হবে। কিছুটা দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজ মঈন আলির ভেতরে ঢোকা বলটা ওর গ্লাভসে লেগে গেল। না হলে ১৩০ বলের ইনিংসটা দেখে কখনও মনে হয়নি ৫৮ রানে আউট হয়ে যাবে! এতটাই জমাট ছিল ইনিংসটা।
কোহলি ছাড়া এই মুহূর্তে ভারতীয় ব্যটিং ভীষণ দুর্বল! অন্তত ইংল্যান্ডের মতো উইকেটে। যেখানে বলের বাউন্স আছে এবং সুইং করে। শিখর ধওয়ন, কে এল রাহুল, চেতেশ্বর

পূজারা— প্রত্যেককে খুব সাধারণ মনে হল। বিশেষত হার্দিক পাণ্ড্য। কোহলি আউট হয়ে গিয়েছে। রান মাত্র ১২৩। সেখানে ওভাবে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসবে হার্দিক? আজ হার্দিকের খেলা দেখে আবার নিশ্চিত হলাম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার ফল কী হতে পারে। জানি না, ভারতীয় বোর্ডের চোখ খুলবে কি না!

বিদেশের মাটিতে ভারতীয় ক্রিকেটের এই ছবি আমরা আগেও বহুবার দেখেছি। আবার দেখলাম। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড একটা চেষ্টা করতে পারে। বিদেশের মাটিতে আরও বেশি সিরিজ যাতে হয় তার চেষ্টা করা। তাতে যদি অন্তত ধওয়ন, রাহুলদের খেলার একটু উন্নতি হয়। আর একটা কথা, কেনিংটন ওভালে নিয়মরক্ষার পরের টেস্টে টিম ম্যানেজমেন্টের উচিত পৃথ্বী শ’কে প্রথম একাদশে রাখা। পরীক্ষা করার এটাই সুযোগ।