আইপিএল শেষ! কোনও বিতর্ক ছাড়াই শেষ হয়েছে ক্রোড়পতি লিগ। তবে শেষ হওয়ার পরেই শুরু হয়েছে একাধিক বিতর্ক। আরবাজ খান নিজের আইপিএল-এ গড়াপেটা করার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন চক্রের প্রধান চাঁই সোনু।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

এর মধ্যেই আবার বিতর্ক শুরু হয়েছে ধারাভাষ্যকারদের নিয়ে। আইপিএল-এর সম্প্রচারকারী চ্যানেলের ইংরেজি ধারাভাষ্যকারের প্যানেলে মাত্র দু’জন ভারতীয়— সঞ্জয় মঞ্জরেকর এবং সুনীল গাওস্করকে রাখা নিয়েই বিতর্ক। জানা গিয়েছে, প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটাররা বিসিসিআইয়ের এমন সিদ্ধান্তে মোটেই খুশি নন।

আইপিএল-এর শেষ চারটি ম্যাচে, এলিমিনেটর, দুই কোয়ালিফায়ার এবং ফাইনালের ধারাভাষ্যকারের প্যানেলে ছিলেন পাঁচ বিদেশি— মাইকেল ক্লার্ক, গ্রেম স্মিথ, সাইমন ডুল, মাইকেল স্লেটার এবং ম্যাথু হেডেন। ভারতীয় প্রতিনিধি ছিলেন মঞ্জরেকর এবং গাওস্কর। অনেক প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারই আঞ্চলিক ধারাভাষ্যকার হিসেবে আইপিএল-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে ইংরেজি-তে ছিলেন কেবল দু’জনই।

কেন এই বৈষম্য? সর্বভারতীয় প্রচারমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বোর্ডের এক আধিকারিক এক নিজস্ব অনুষ্ঠানে স্বীকার করে নেন, ভারতীয়দের উচ্চারণ নাকি বিদেশিদের মতো নিখুঁত নয়। যা সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ক্রিকেটাররা মোটেই ভালভাবে নেননি। এর পরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এক প্রচারমাধ্যমে বলেন, ‘‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড হঠাৎই আবিষ্কার করল ভারতীয় ধারভাষ্যকাররা মোটেই নাকি ইংরেজিতে পাকা নন! ভারতীয় উচ্চারণে কি কোনও সমস্যা রয়েছে বোর্ডের?’’

প্রথম সংস্করণের আইপিএল-এ ইংরেজিতে কমেন্ট্রি করার জন্য ন্যূনতম চারজন ভারতীয়কে প্যানেলে রাখা হত। এমন ঘটনায় বিরক্ত প্রাক্তন এক জাতীয় অধিনায়ক প্রচারমাধ্যমে বলেন, ‘‘এটা একান্তভাবেই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ভারতীয়দের সবসময় প্রাধান্য দেওয়া উচিত। শেষ দশ বছরে এমনটাই নিয়ম ছিল। হঠাৎ এখন সেই নিয়ম বদলে ফেলার মানে কি!’’