মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির শিকার হলেন এবার এক ভারতীয় মহিলা। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, ৩৩ বছরের ভাবন পটেল অবৈধ ভাবে মার্কিন দেশে প্রবেশ করেন মেক্সিকো পেরিয়ে। 

ট্রাম্পের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসারে, সে দেশে যে কোনও অনুপ্রবেশকারীকেই তাঁদের শিশু সন্তানদের থেকে আলাদা করে দেওয়া হচ্ছিল। এখনও পর্যন্ত মার্কিন ‘ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি’র তরফ থেকে জানা যাচ্ছে এরকম ২৩০০-রও বেশি শিশুকে তার বাবা-মায়ের থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে।

ভাবন পটেলও কোনও ব্যতিক্রম ছিলেন না। তবে এখনও পর্যন্ত ভারতীয় হিসেবে তিনিই প্রথম যাঁর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটল। মেক্সিকো সীমান্ত পেরনোর পরেই ভাবন আটক হন মার্কিন সেনার হাতে। সঙ্গে ছিল তাঁর পাঁচ বছরের বিশেষ ভাবে সক্ষম সন্তান। যাকে সঙ্গে সঙ্গেই সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 

প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের এই নীতি নিয়ে সরব হয়েছেন খোদ মার্কিন দেশের নাগরিকরাই। যার ফলে প্রেসিডেন্ট বাধ্য হয়েছেন এই নীতির আপাতত স্থগিত রাখতে। সে ক্ষেত্রে কেন ভাবন পটেলের সন্তানকে আলাদা করা হল তা জানা যায়নি। নাকি, ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার আগই তিনি ধরা পড়েছিলেন, জানা যায়নি তাও।

গত মঙ্গলবার, আরিজোনা আদালতে ৩০ হাজার ডলার বন্ড দিতে হয় ভাবন পটেলকে। তাঁর উকিল আলিঙ্কা রবিনসন সাংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, ভাবনের শিশু সন্তান ‘ভাল নেই’। তিনি বিচারপতিকে অনুরোধ করেন ১০ হাজার ডলার বন্ড দিয়ে তাঁর ছেলেকে যাতে ভাবনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

আদালতে মামলা চলাকালীন জানা গিয়েছে যে, গুজরাতের বাসিন্দা ভাবন পটেল তাঁর ভাইয়ের সাহায্যে আমদাবাদ থেকে গ্রিস পৌঁছেছিলেন প্রথমে। সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অনুপ্রবেশ করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।