জাপানি শ্যেফ দ্য মিশন ইয়াশুহিরো ইয়ামাশিতা মাথা নুইয়ে বিদায় সম্ভাষণ জানালেন। এই বিদায় লজ্জার, কলঙ্কের। অন্তত, জাপানের কাছে। কারণ, যৌনকর্মীকে টাকা দেওয়ার অপরাধে চার বাস্কেটবল তারকাকে দেশে ফেরত পাঠাল জাপান। সেই কারণেই বিশ্বের দরবারে মাথা নিচু হয়েছে, এমনটাই বলা হচ্ছে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

জাপানের নিউজ এজেন্সি কিয়োডো নিউজ-এর ফাঁস করা নিউজে তোলপাড় এশিয়ান গেমসে। সেই নিউজেই বলা হচ্ছে, জাকার্তায় নৈশভোজে বেরিয়ে ইউনিফর্ম পরিহিত জাপানি খেলোয়াড়দের সঙ্গী হয়েছিল যৌনকর্মীরা। পরে তারা খেলোয়াড়দের সঙ্গেই হোটেলে রাত কাটায়।

এতেই ক্ষুব্ধ জাপান ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট চার খেলোয়াড়কে। গত শনিবারেই ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় শুরু হয়েছে এশিয়ান গেমস। সেপ্টেম্বরের ২ তারিখ পর্যন্ত চলবে আন্তঃমহাদেশীয় এই টুর্নামেন্ট। যাই হোক, কেলেঙ্কারির পরে আপাতত লজ্জিত তাঁরা।

জাপানের শ্যেফ দ্য মিশন ইয়াশুহিরো ইয়ামাশিতা সাংবাদিক সম্মেলনে বলে দেন, ‘‘ভীষণ লজ্জা লাগছে। প্রত্যেকের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি এর পর থেকে খেলোয়াড়দের সঠিকভাবে পরিচালনা করব।’’

টুর্নামেন্টের শুরুর আগেই বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা চালু হয়ে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার শুরুর ম্যাচেই কাতারের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে জাপান। তারপরেই এই অনভিপ্রেত ঘটনার সাক্ষী থাকে টুর্নামেন্ট। ঠিক কী হয়েছিল?

ইয়াশুহিরো ইয়ামাশিতা জানান, স্থানীয় এক জাপানভাষী লোকের সঙ্গে আলাপ হয় চার জাপানি খেলোয়াড়— তাকুয়া হাশিমোতো, কেইতা ইমামুরা, ইউয়া নাগায়োশি এবং তাকুমা সাতো’র। সেই চার খেলোয়াড় জানতে পারেন স্থানীয় এক বারে যৌনকর্মীরাও রয়েছেন।

তার পরেই বেশ কিছু ঘণ্টা সেই বারে কাটিয়ে হোটেলে ফিরে আসেন সেই খেলোয়াড়রা। যৌনকর্মীরা শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সেই খেলোয়াড়দের সঙ্গী ছিল। এই ঘটনা জানাজানি হতেই সেই অভিযুক্ত খেলোয়াড়দের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।