পরিচালক ড্যারেন অ্যারনফস্কির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা আরও পোক্ত করতে চান জেনিফার লরেন্স। তাই নিজের বাড়ির ডুপ্লিকেট চাবি দিলেন ড্যারেনকে। অভিনেত্রীর ইচ্ছে, শহরে এলে যেন তাঁর বাড়িতেই ওঠেন ড্যারেন।
জেনিফার তাঁর ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছেন, ৪৭ বছর বয়সি পরিচালকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা বেশ সিরিয়াস হচ্ছে। ২০১৫ সালে খুব কম সময়ের জন্য ক্রিস মার্টিনকে ডেট করেছিলেন জেনিফার। বন্ধুদের জানিয়েছিলেন, ক্রিস নাকি বড্ড ‘কমিটমেন্ট ফোব’ ছিলেন। তাই তাঁর সঙ্গে সম্পর্কটা একটা ঝড়ের মতো ছিল। চারদিকে শুধু দৌড়ে বেড়াতে হতো। সেই তুলনায় ড্যারেন অনেক বেশি ‘গ্রাউন্ডেড’।
শুরুতে নাকি ড্যারেনকে ডেট করতে খুব একটা উৎসাহী ছিলেন না জেনিফার। কিন্তু ধীরে ধীরে ড্যারেনের প্রেমে পড়ে যান তিনি। এখন তাঁর মনে হচ্ছে, ড্যারেনই তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ পুরুষ! তাঁর বন্ধুরা জানিয়েছেন, ইদানীং জেনিফার নাকি সব সময়ই খোশমেজাজে থাকেন। তবে তাঁরা ড্যারেনকে নিয়ে একটু চিন্তিত। কারণ, ইন্ডাস্ট্রিতে ড্যারেন ‘মিস্টার ন্যাস্টি’ নামে কুখ্যাত। তাঁর প্রাক্তন ফিয়াসেঁ রেচেল ওয়েজ (যাঁর সঙ্গে ড্যারেনের একটি ১০ বছরের ছেলেও রয়েছে) ছাড়াও এর আগে এক প্রযোজকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ড্যারেনের। দুই নারীই জানিয়েছেন, ড্যারেনের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক বেশ কঠিন ছিল। হয়তো সে কারণেই জেনিফারের বন্ধুরা চিন্তিত। তার প্রভাব অবশ্য জেনিফারের উপর একটুও পড়েনি। ড্যারেনকে নিয়ে রীতিমতো এক্সাইটেড জেনিফার।