তিনি ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন মাসখানেক হয়েছে। সদ্য ‘প্রাক্তন’ হওয়া মহম্মদ কাইফ এবার জানিয়ে দিলেন, যত অধিনায়কের অধীনে খেলেছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ই শ্রেষ্ঠ। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

এক সর্বভারতীয় ক্রিকেট ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মহারাজ সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন কাইফ। তিনি জানিয়েছেন, এক কঠিন সময়ে দলের দায়িত্ব পাওয়ার পরে কীভাবে সৌরভকে দলকে নতুন করে গড়ে তুলতে হয়েছিল। সেকথা বলতে কাইফ জানান, ‘‘তরুণ খেলোয়াড়দের তুলে আনার কাজটা তিনি দারুণ ভাবে করেছেন। যার মধ্যে আমিও পড়ি।’’

তবে অধিনায়ক সৌরভের গড়ে তোলা টিম ইন্ডিয়ার সাফল্যের পিছনে যে সচিন, রাহুল, কুম্বলে বা শ্রীনাথদেরও বিরাট ভূ্মিকা ছিল, সেকথাও জানাতে ভোলেননি কাইফ। সৌরভের গড়ে তোলা সাফল্যের ইমারতের দায়িত্ব পরবর্তীতে ধোনির মতো যোগ্য লোকের কাছে গিয়েছিল সেকথাও জানান কাইফ।

কাইফ যে সৌরভের প্রশংসা করবেন, তাতে অবশ্য আশ্চর্যের কিছু নেই। সৌরভের নেতৃত্বে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফিতে বিজয়ের সেই দিনটি আজও উজ্জ্বল ভারতীয় সমর্থকদের স্মৃতিতে। ফাইনালে যখন ভারতের জেতার আশা শেষ, তখনই কাইফই ও যুবরাজের পার্টনারশিপ জয়ের রাস্তায় নিয়ে আসে ভারতকে। সেদিন কাইফের করা ৮৭ রানের ইনিংসটি তাঁকে রাতারাতি ক্রিকেট তারকা বানিয়ে দিয়েছিল। সৌরভই তাঁকে সুযোগ দিয়েছিলেন নিজেকে প্রমাণ করার।

কিন্তু সেই সঙ্গে কাইফ প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন গুরু গ্রেগকে। প্রবীণ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার সম্পর্কে কাইফ বলেছেন, ‘‘উনি অসম্ভব ভাল। ওঁর ব্যাটিং টিপস দুর্দান্ত।’’ গ্রেগের কাছ থেকে ব্যাটিং নিয়ে দারুণ সব পরামর্শের কথা স্মরণ করেঠেন কাইফ। তবে জানাতে ভোলেননি, ম্যান ম্যানেজমেন্টের ক্ষমতা গ্রেগের ছিল না। সে ব্যাপারে স্পষ্টবক্তা কাইফ, ‘‘উনি ভারতীয় সিস্টেম, ভারতীয় সংস্কৃতিকে বুঝতে ভুল করেছিলেন। ভারতীয় খেলোয়াড়রা কোন পরিবেশ থেকে উঠে এসেছেন, সেটাও বুঝতে তিনি ভুল করেছিলেন। এসবই তাঁর বিপক্ষে গিয়েছিল। তবে আমি ওঁর ব্যাটিং টিপস উপভোগ করেছি।’’