প্রকৃতির রোষে শুধু বাড়ি-ঘর নয়, কয়েকশো মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন কেরলের বন্যায়। প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ এখনও রয়েছেন শরণার্থী শিবিরে। 

জল সরে যাওয়ার পরে যেন দেখা দেয় আরও দুর্গতি। প্রথমে সাপের ভয়, তার পরে শুরু হয়েছে নানা ব্যধির প্রকোপ। 

এবারে আরও এক নুতন রোগের কবলে পড়েছেন কেরলবাসী— র‌্যাট ফিভার। ইতিমধ্যেই ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে ইঁদুর জ্বরে আক্রান্ত হয়ে। ১৯৬ জনের মধ্যে ছড়িয়েছে এই জীবাণু। আরও ৩৭ জন অপেক্ষায় রয়েছেন পরীক্ষার ফল বেরনোর।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা সোমবার জানান যে, ৯ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে ৫ জনই ছিলেন রিলিফ ওয়ার্কার। তিনি আরও জানান যে, যাঁরা এই জ্বরের চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন তাঁদের প্রত্যেকেরই একই রকম উপসর্গ ছিল—
১। কাঁপুনি
২। ধুম জ্বর
৩। মাথা ব্যথা
৪। শরীরে ব্যথা
৫। বমি
৬। রক্তক্ষরণ

সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কেরলে এই জ্বর নতুন কিছু নয়। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এই অসুখে। এবং ৭৮৮ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছিল এই জীবাণু। এই তথ্য ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল’ থেকে প্রাপ্ত। বন্যার জন্য জীবাণু ছড়িয়েছে বেশি মাত্রায়। 

তবে, সুখের কথা এই যে ডেঙ্গু বা চিকনগুনিয়া থেকে বেঁচে গিয়েছে বন্যা-বিদ্ধস্ত কেরল।

গ্রাফিক্স: অভিজিৎ বিশ্বাস