তারা নিজেদের শিঙের খোলস ত্যাগ করে প্রজননের পরেই। এবং এই খোলস থেকেই তৈরি হতে পারে আয়ুর্বেদিক ওষুধ। 

কেরলে তিন ধরনের হরিণ পাওয়া যায়— স্পটেড ডিয়ার, সম্বর ও বার্কিং ডিয়ার। এবং এই তিন জাতীয় হরিণের শিং থেকেই এমন ওষুধ তৈরি করা যায় বলে জানিয়েছে সে রাজ্যের বন দফতর। এবং সেই বোর্ড এবার কেন্দ্রের কাছে অনুমতি নিতে চায় এই ব্যাপারে। 

আরও পড়ুন

এমন কাহিনি আগে পড়েননি। মানুষের স্তন্যপান করছে হরিণশিশুরা

বক-হরিণদের নিয়ে সৌন্দর্যায়নে বাজিমাত করতে চাইছে পুরসভা

দেশের ‘ওয়াল্ডলাইফ প্রোটেকশন অ্যাক্ট’-এ যাতে খানিক রদবদল হয়, সেই অনুরোধও করবে কেরলের বন্যপ্রাণ স্টেট বোর্ড।

এহেন প্রস্তাবে কেরলের বন্যপ্রাণ স্টেট বোর্ডের অন্দরেই দ্বন্দ্ব লেগেছে। বোর্ডের বেশ কয়েকজনের মতে, এই ‘অনুরোধ’ স্বীকৃত হলে, শুধু শিঙের জন্যই বাড়তে পারে হরিণ শিকার।