মনে পড়ে ‘নদিয়া কে পার’ (১৯৮২) ছবিটির কথা? রাজশ্রী প্রোডাকশনস-এর ছবি, প্রযোজক ছিলেন তারাচাঁদ বরজাতিয়া। ঠিক বারো বছর পরে, ১৯৯৪ সালে, তাঁর নাতি সূরয বরজাতিয়া তৈরি করেন ‘হাম আপকে হ্যায় কওন’।

চিত্রনাট্য প্রায় একই। যদিও প্রথম ছবিটি ছিল ভোজপুরি ভাষায়, গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে। রিমেক ছবিটি হিন্দি এবং একেবারেই নাগরিক। এবং এই ছবিতে সলমন খান ও মাধুরী দিক্ষীতের জুটি সকলেরই মনে ধরেছিল।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

‘নদিয়া কে পার’ ছবিতে মু্খ্য চরিত্রে দেখা গিয়েছিল মরাঠি ছবির জগতের অভিনেতা শচীন পিলগাঁওকরকে। ‘বালিকা বধূ’ (১৯৭৬) ছবির সেই অপ্রাপ্তবয়স্ক নতুন বর, বা মাল্টি-স্টারার ‘শোলে’ (১৯৭৫) ছবির একটি ক্যামিও চরিত্রে তিনি আজও জ্বলজ্বল করছেন সকলের মনে। 

১৯৬২ সালে চাইল্ড-আর্টিস্ট হিসেবে মরাঠি ছবি দিয়েই তাঁর অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন শচীন। অমলের চরিত্রে তাঁর প্রথম হিন্দি ছবি ছিল ‘ডাক ঘর’ (১৯৬৫)। 

তার পরে কেটে গিয়েছে দীর্ঘ প্রায় ৫৬ বছর। চলতি বছরেই মুক্তি পেয়েছে ‘হিচকি’ ছবিটি, যেখানে রানি মুখোপাধ্যায়ের বাবার চরিত্রে দেখা গিয়েছে শচীনকে। 


স্ত্রী সুপ্রিয়া পিলগাঁওকর ও মেয়ে শ্রিয়ার সঙ্গে শচীন।
ছবি: অভিনেতার ইনস্টাগ্রাম থেকে

শুধু অভিনয়ই নয়, বেশ কিছু মরাঠি ছবি পরিচালনার কাজও করেছেন ‘সত্তে পে সত্তা’ (১৯৮২) ছবির ‘শনি’। পাশাপাশি ছোট পর্দায় শ্বাশুড়ি-বইমার ‘তু তু ম্যায় ম্যায়’ কমেডি সিরিয়ালটিও খুবই জনপ্রিয় ছিল। প্রসঙ্গত, এই সিরিয়ালে তিনি লঞ্চ করেন তাঁর স্ত্রী সুপ্রিয়া পিলগাঁওকর ও মেয়ে শ্রিয়াকেও। 

পরবর্তীকালে সুপ্রিয়া পিলগাঁওকরকে বলিউডের কেয়েকটি ছবিতেও দেখা গিয়েছে। এবং শ্রিয়াও বলিউডে তাঁর যাত্রা ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন।