কাশ্মীর, যাকে ভারত তথা বিশ্ববাসী ভূস্বর্গ বলেই মনে করে, রয়েছে ভারতের একেবারে শীর্ষে। 

হিমালয়ের নানা রূপে সমৃদ্ধ কাশ্মীর উপত্যকা তাই স্বাভাবিক ভাবে পর্যটকদের ও প্রকৃতিপ্রেমীদের সব থেকে ভাল লাগার এক জায়গা। 

শুধু প্রকৃতির রং-রূপই নয়, কাশ্মীর ভ্রমণের আরও একটি দিক হল এখানের নানা ধরনের অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসও। শীতের সময় প্রায় পুরো রাজ্যই ঢেকে যায় বরফের আস্তরণে। আর তখনই শুরু হয় আইস স্কেটিং, স্কিয়িং-এর মতো বরফের নানা খেলা।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

আর কাশ্মীর বললেই যে জিনিসের কথা সবার আগে মনে আসে, তা হল আপেল। কিন্তু, জানলে অবাক হতে হবে যে, ভারতের এক দক্ষিণী রাজ্যেও ফলে এমন লাল, রসালো আপেল। এখানে শীতের সময় তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাসে।

লাম্বাসিঙ্গি— অন্ধ্রপ্রদেশের একটি অখ্যাত গ্রাম। বিশাখাপত্তনমের চিন্তাপল্লী মণ্ডলের এই ছোট্ট গ্রামটিকে অন্ধ্রপ্রদেশের ‘কাশ্মীর’ বলা হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০০০ মিটার উচ্চতার এই গ্রামের সঙ্গে হিমালয়ের কোনও যোগ না থাকলেও, এখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব সহজেই টেক্কা দিতে পারে কাশ্মীরকে।

এবং শীতের সময় এখানকার তাপমাত্রা এতটাই নেমে যায় যে, আপেলের ফলনে কোনও অসুবিধাই হয় না। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে লাম্বাসিঙ্গিতে তুষারপাতও হয় বলে জানা গিয়েছে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে। 

ছোট্ট গ্রামটির চারপাশ ঘেরা সবুজ পাহাড়ে। মাঝে মধ্যে রয়েছে সাজানো উপত্যকা, পাহাড়ি ঝর্না, কুয়াশায় মোড়া বন পথ। সপ্তাহান্তে বা নিরিবিলিতে দু-চার দিন কাটানোর জন্য একেবারে ‘পারফেক্ট’। 

উল্লেখ্য, লাম্বাসিঙ্গির আশেপাশে রয়েছে তিন-চারটি জায়গা যা পর্যটকদের ভালই লাগবে—

• সুসান গার্ডেন— লাম্বাসিঙ্গি যাওয়ার পথেই পড়ে এই বাগানটি, যা পর্যটকদের জন্য খোলা থাকে সব সময়েই।

• থাজাঙ্গি জলাধার— লাম্বাসিঙ্গি থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরত্বেই রয়েছে এই জলাধার। 

• কোথাপল্লি জলপ্রপাত— এই জলপ্রপাতটি খুব সম্প্রতিই আবিষ্কার করে এক স্থানীয় তরুণ। এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা নজর কাড়ে পর্যটকদের।