রূপ নয়, গুণেই হোক মেয়েদের আসল পরিচয়। জি বাংলা-র নতুন ধারাবাহিক ‘কৃষ্ণকলি’-র এটিই মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামার গায়ের রং
কালো, তাই একের পর এক সম্বন্ধ ভেঙে যায়। শেষ পর্যন্ত যে বিয়ে ঠিক হয়, সেখানেও বহু গোলমাল তৈরি হয়। দর্শক এখনও অবধি এইটুকু দেখেছেন আর প্রোমো থেকে
এটাও জেনেছেন যে বিয়ের পরে এমন একটি বাড়িতে গিয়ে উঠবে শ্যামা, যে বাড়ির অলিখিত নিয়ম— বউকে ফর্সা হতেই হবে। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

বিয়ের দিন সুবান ও তিয়াষা। ছবি: সুবানের ফেসবুক পেজ থেকে

বিয়ের এপিসোডগুলির শ্যুটিং চলছে এবং আর কিছুদিনের মধ্যেই সম্প্রচার হবে বিয়ের সিকোয়েন্স। কিন্তু দর্শকের অনেকেই হয়তো জানেন না যে বাস্তবে কিন্তু শ্যামা নন
অভিনেত্রী তিয়াষা রায়, বরং তিনি গৌরী। যদিও গায়ের রংটা কখনওই তাঁর পরিচয় হতে পারে না। তবে দর্শকের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় তথ্য এটাই যে
‘কৃষ্ণকলি’-নায়িকা কিন্তু বাস্তবে বিবাহিত এবং তাঁর স্বামীও বাংলা টেলিভিশনের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা— সুবান রায়। 

সুবান ও তিয়াষা। ছবি: সুবানের ফেসবুক পেজ থেকে

তবে নেগেটিভ চরিত্রেই তাঁকে বেশি দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে ‘আমার নাম দুর্গা’ ও ‘মিলনতিথি’-তে তাঁর চরিত্র দু’টির কথা অবশ্যই মনে থাকবে বাংলা
টেলিভিশনের নিয়মিত দর্শকের। গত বছর অক্টোবরে বিয়ে করেছেন সুবান ও তিয়াষা এবং বিয়ের পরেই কিন্তু শুরু হয়েছে তিয়াষার অভিনেত্রী জীবন। ‘কৃষ্ণকলি’ শুধু
তাঁর টেলিভিশন ডেবিউ নয়, তাঁর অভিনয় জীবনের সূত্রপাত।