কোনও রকম প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৩৪ শতাংশ আসনে জিতে গিয়েছেন শাসক দলের প্রার্থীরা। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চলছে মামলা। এখনও পর্যন্ত মামলার রায় দেননি বিচারপতিরা। শুনানিও শেষ হয়নি।

অথচ বৃহস্পতিবার থেকেই পঞ্চায়েতগুলির পুরনো বোর্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। পাঁচ বছর ধরে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদগুলি যে বোর্ড চালাচ্ছিল, তার মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও অনেক জায়গায় বোর্ড গঠনে অসুবিধা হবে।

কারণ এই ৩৪ শতাংশ আসনে ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। আর ফল না ঘোষণা হলে নতুন বোর্ডও তৈরি করা যাবে না।

তাই বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকার নির্দেশিকা জারি করেছে, আপতত এই অনিশ্চিত গ্রাম পঞ্চায়েত বা সমিতিতে প্রশাসক বসিয়ে কাজ চলবে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত আইন অনুযায়ী, যেসব ক্ষেত্রে বোর্ড গঠন করা যাবে না, সেখানে প্রশাসকই পঞ্চায়েতের কাজের দেখভাল করবেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষেত্রে বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির ক্ষেত্রে এসডিও এই প্রশাসকের কাজ করবেন। জেলা পরিষদের ক্ষেত্রে এই কাজ করবেন জেলাশাসক।

সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি চলছে। কিন্তু  বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় অসুস্থতার কারণে শুনানি পিছিয়ে যাচ্ছে।  

এবারের নির্বাচনে পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৯২১৭টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে ৩০৫৯টি আসন৷ গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ৪৮,৬৫০টি আসনের মধ্যে ১৬,৮১৪টিতে বিনা লড়াইয়ে জিতেছে শাসক দল। এছাড়াও জেলা পরিষদের মোট ৮২৫টি আসনের মধ্যে ২০৩টি আসনে কোনও লড়াই হয়নি।