জ্যান্ত মানুষের শরীর থেকে অঙ্গ-চুরি হওয়ার কথা প্রায়শই শোনা যায়। কিন্তু ‘সংরক্ষিত মস্তিষ্ক’ চুরি! এমনও ঘটে!

ইন্ডিয়ানা মেডিক্যাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম— ১৮৪৮ সালে নির্মিত হাসপাতালটি পরবর্তীকালে ‘অ্যানাটমিকাল’ মিউজিয়াম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনুষ্য-শরীরের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সেখানে সংরক্ষণ করা রয়েছে। তবে বেশিরভাগই মানব-মস্তিষ্ক। আর তাই নিয়েই যত বিড়ম্বনা মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষের। বেশ কয়েক বার সেই সংরক্ষিত ‘মগজ’ চুরি ও বিক্রি করার পর, ২০১৩-র ডিসেম্বরে ধরা পড়ে ২৩ বছরের ডেভিড চার্লস। সেই বছরেই অনলাইনে মোট ছ’টি মানব-মস্তিষ্ক ৬০০ ডলার দিয়ে বিক্রি করেছিল চার্লস। সান দিয়েগোর যে ক্রেতা সেগুলি কেনে, তারই তৎপরতায় ধরা পড়ে সে। পরে তদন্তকারীরা চার্লসের ফিঙ্গারপ্রিন্টের নমুনা পায় মিউজিয়ামে ফেলে আসা একটি রক্তমাখা কাগজে। মস্তিষ্ক-চোরের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৮০টি মানব-টিস্যু ভর্তি কাচের জার। এ ছাড়াও, বেশ কিছু মেডিক্যাল সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে।

আপাতত পুলিশি হেফাজতে থাকা চার্লসকে এক বছরের গৃহবন্দি জীবন কাটাতে হবে। পরবর্তী দু’বছর নজরবন্দি থাকতে হবে। ম্যারিয়ন কাউন্টি কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট এমি বারবার এই শাস্তিই বরাদ্দ করেছেন চার্লসের জন্য। অপেক্ষা ‘মগজ ধোলাই’ হওয়ার পর ডেভিড চার্লসের নতুন রূপ দেখার!