মহম্মদ আবাদ থাকেন এডিনবরায়। তখন তাঁর ৬ বছর বয়স। ধাক্কা লাগে একটি গাড়ির সঙ্গে। গাড়িটি তাঁকে হিঁচড়ে টেনে নিয়ে যায় বেশ খানিকটা। প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন ইলিয়াস কিন্তু বাদ গিয়েছিল পুরুষাঙ্গ।

এর পর একটি কৃত্রিম পুরুষাঙ্গ নিয়েই বেড়ে উঠেছেন আবাদ। প্রতি পদে পদে এর জন্য তাঁকে লাঞ্ছনার সম্মুথীন হতে হয়েছে। কিন্তু সেই কৃত্রিম পুরুষাঙ্গটি যৌন অভিজ্ঞতার জন্য উপযুক্ত ছিল না। বিয়ে করেছিলেন আবাদ, নিজের শারীরিক অক্ষমতার কথা লুকিয়েই। সেই স্ত্রী বেশ কিছুদিন তাঁর পাশে থাকলেও দু’বছরের মধ্যেই বিয়ে ভেঙে যায়।

একজন সুস্থ-সবল মানুষের মতোই আবাদও চেয়েছেন যৌন অভিজ্ঞতা। চিকিৎসকদের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত আবাদের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয় এমন একটি কৃত্রিম পুরুষাঙ্গ বা বায়োনিক পেনিস যা স্বাভাবিক পুরুষাঙ্গের মতোই ইরেকশন এবং ইজাকুলেট করতে সক্ষম। এটি দেখতে অনেকটা টিউবের মতো। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে অণ্ডকোষের মতোই একটি কৃত্রিম অঙ্গ।

এই কৃত্রিম অণ্ডকোষে রয়েছে একটি সুইচ। সুইচটি টিপলেই টিউবের সঙ্গে সংযুক্ত পাউচ থেকে ফ্লুইড সরবরাহ হবে পুরুষাঙ্গ টিউবে এবং ইরেকশন হবে। এই কৃত্রিম পুরুষাঙ্গ প্রতিস্থাপনের পরেই বাস্তব যৌন অভিজ্ঞতার জন্য উদ্বিগ্ন হন মহম্মদ আবাদ।

কিন্তু কে এই বিশেষ পরিস্থিতিতে তাঁর শয্যাসঙ্গিনী হবেন? শেষ পর্যন্ত এগিয়ে আসেন এক যৌনকর্মী। তাঁর সান্নিধ্যেই সম্প্রতি ৪৪ বছর বয়সে জীবনে প্রথম বার যৌনতার স্বাদ পেয়েছেন আবাদ এবং বার বার ধন্যবাদ দিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানকে।

আরও পড়ুন...

অঙ্গ নিয়ে রঙ্গ! গাছ দেখে লুটোপুটি পড়শিরা

পুরুষাঙ্গে যন্ত্রণা? যে ১০টি কারণে হতে পারে...