স্টুটগার্টে স্বপ্নভঙ্গ ঘটলেও সেমিফাইনালের হারে অখুশি নন মারিয়া শারাপোভা। প্রত্যাবর্তনের লড়াইয়ে নামা রুশ সুন্দরী মনে করেন পনেরো মাস পর কোর্টে নেমে নিজের কাছে প্রত্যাশা ছাপিয়ে গিয়েছেন। বলেছেন, ‘‘টুর্নামেন্টের শুরুতে কেউ যদি ভবিষ্যদ্বাণী করতেন যে আমি সেমিফাইনাল খেলব, তা হলে খুশিই হতাম।’’

স্টুটগার্টে আক্ষরিক অর্থে শূন্য থেকে শুরু করেছিলেন শারাপোভা। সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেন বিশ্বের ২৬০ নম্বর হিসাবে। তবু ফাইনালে উঠতে না পারায় তাঁর ফরাসি ওপেন খেলার উপর প্রশ্নচিহ্ন থেকেই গেল।

মাশা অবশ্য শুধু ইতিবাচক দিকটায় মন দিচ্ছেন। বলেছেন, ‘‘সুযোগটার সদ্ব্যবহার করতে পারলে নিশ্চয়ই ভাল লাগত। তবে আমি মোটেই রেগে নেই। যে ভাবে খেলেছি তাতে প্রত্যাবর্তনের ভিত ঠিকঠাক রাখা গিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি একটা যায়গায় পৌঁছনো গেল।’’ ফিটনেস নিয়ে চিন্তাও দূর হয়েছে। তিরিশ বছরের শারাপোভার কথায়, ‘‘তৃতীয় সেটে খেলার সময়ও শারীরিক ক্লান্তি ছিল না।’’

তবে অভাব টের পাচ্ছেন ম্যাচ প্র্যাক্টিসের। মাদ্রিদ আর রোমেও ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়া বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বরের কথায়, ‘‘খুব দ্রুত টুর্নামেন্ট দু’টো আমার কাছে গ্র্যান্ড স্ল্যামের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। টানা খেলার চাপ শরীর কতটা নিতে পারে, নিজেকে সেই পরীক্ষার মুখে ফেলতে চাই। ম্যাচ খেলার ক্লান্তিটা উপভোগ করি। ওই অনুভূতিটা প্র্যাক্টিস করা যায় না।’’

রোলঁ গ্যারোজে ওয়াইল্ড কার্ড পাচ্ছেন কিনা, জানতে পারবেন ১৬ মে। শারাপোভা অবশ্য বলেছেন, যোগ্যতা পাওয়ার জন্য জুনিয়র পর্যায়েও খেলতে রাজি তিনি।