ডার্বি খেলতে না পারার যন্ত্রণাই কি  মেহতাব হোসেনের অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তে বদল ঘটাবে? মোহনবাগানের অভিজ্ঞ এই মিডিও এখনই এই বিষয়ে কিছু বলতে রাজি নন। সূত্রের খবর, বাগান কর্তারা নাকি তাঁকে সিদ্ধান্ত  বদলানোর জন্য বোঝাচ্ছেন।  

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যেমে মেহতাব নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, কলকাতা লিগের পর বুট তুলে রাখবেন তিনি। সেই হিসেবে রবিবারই জীবনের শেষ ডার্বি খেলতে নেমেছিলেন। কিন্তু বাঁ হাতের কনুইয়ের চোট যেন তাঁর সব ভাবনা ওলটপালট করে দিয়েছে। ডার্বিটা জিততে না পারার জন্য মেহতাব কার্যত নিজেকেই েদাষ দিচ্ছেন। সোমবার বাড়িতে বসে গোটা দিন আফশোস করে গিয়েছেন। তাঁকে ফোনে ধরা হলে বলছিলেন, ‘‘আমার চোটটা না হলে হয়তো খেলার ফল অন্য রকম হতে পারত। আমরা ম্যাচটা জিততে পারতাম। খুব খারাপ লাগছে। বহুদিন পর মোহনবাগান জার্সিতে ডার্বি খেলতে নেমেও আমাকে খালি হাতে ফিরতে হল। কিছুই করতে পারলাম না।’’ বাঁ হাতের কনুইয়ের লিগামেন্টে চোট। জায়গাটা ফুলে রয়েছে। সঙ্গে ব্যথাও তীব্র। মেহতাব বলছিলেন, ‘‘ফুলে আছে বলে এমআরআই করা যায়নি। বুধবার এমআরআই হতে পারে।’’ তবে যা পরিস্থিতি তাতে কলকাতা লিগের ম্যাচে খেলা সম্ভব নয়। অস্থিশল্য চিকিৎসক এবং স্পোর্টস ইনজুরি বিশেষজ্ঞ ঋত্বিক গঙ্গোপাধ্যায় বলছিলেন, ‘‘মেহতাবের যে ধরনের চোট হয়েছে বলে শুনলাম তাতে মাঠে ফিরতে খুব বেশি দিন লাগবে না। ঠিকঠাকভাবে রিহ্যাব করতে পারলে চোট সারতে হয়তো দশ দিন সময় লাগবে।’’ তবে লিগে তাঁর আর খেলা হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে মেহতাব যদি নিজের সিদ্ধান্ত না বদলান তবে হয়তো সারা জীবন তাঁর একটা আফসোস থেকেই যাবে।

এদিকে রবিবারের ডার্বি ড্র-এর জন্য সমর্থকদের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষমা চেয়েছেন আল আমনা। তিনি লিখেছেন, ‘রবিবারের ম্যাচ জিততে না পারার জন্য সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমার চোখে গত চারদিন ধরে সংক্রমণ হয়েছে। আমি ভাল করে দেখতে পাচ্ছি না। চিকিৎসক বিশ্রামের পরামর্শ দিলেও শুনিনি। ম্যাচটা খেলেছিলাম। কারণ এর গুরুত্ব আমি বুঝি। জেতার জন্য সবাই চেষ্টাও করেছিলাম’।