সাঁতারের বিশ্ব তাঁকে চেনে ‘দ্য ফ্লাইং ফিশ’ হিসেবে। অলিম্পিক্সের পর অলিম্পিক্সেকে সোনা পেতে পেতে বোধ হয় ক্লান্তই হয়ে গিয়েছেন ‘উড়ুক্কু মাছ’ মাইকেল ফেল্পস। তাই সম্প্রতি এক আজব সাঁতার প্রতিযগিতায় নিজেকে নামালেন এই ৩২ বছর বয়সি তারকা সাঁতারু।

ডিসকভারি চ্যানেলের উদ্যোগে উদযাপিত হচ্ছে ‘শার্ক উইক’। ‘হাঙর সপ্তাহ’ উপলক্ষেই ফেল্পস ঠিক করেছিলেন, জীবন্ত হাঙরের সঙ্গে পাঙ্গা নেবেন জলের জগতে। কিন্তু ফেল্পসের মতো এক খ্যাতজনকে কী করে হাঙরের খপ্পরে ছেড়ে দেওয়া যায়, তা নিয়ে যথেষ্ট ভাবিত ছিলেন এই সম্ভাব্য রেস-এর উদ্যোক্তারা। তাই একটি কম্পিউটার-চালিত নকল হাঙরের ব্যবস্থা করা হয়। তবে এই হাঙরের গতি আসলেরই মতো। প্রসঙ্গত, মানুষের সাঁতারের গতি মেরেকেটে প্রতি ঘণ্টায় ৫.৫ মিটার। সেখানে হাঙর ঘণ্টায় ২৫ মিটার যেতে পারে। এর কারণ হাঙরের শারীরিক গঠন, বিশেষ করে তার লেজ। এই অসম রেস-এ ফেল্পসকে খানিকটা সুবিধে দেওয়ার জন্য এক বিশেষ ধরনের সাঁতারের পোশাক পরানো হয়, যাতে হাঙরের লেজ-এর একটি বিকল্প ব্যবস্থা ছিল।

১০০ মিটার সাঁতারে ফেল্পসের বেস্ট টাইমিং ৪৭.৫১ সেকেন্ড। এই প্রতিযোগিতায় তিনি ধড়াচুড়ো সামলে ৩৮.১ সেকেন্ডে ১০০ মিটার পার হন। কিন্তু হাঙর বাবাজীবন তাঁর ২ সেকেন্ড আগেই নির্ধারিত দূরত্ব পেরিয়ে যায়।

ফেল্পসের এই খেলা নেহাতই মজার জন্য। তবু প্রিয় তারকা হেরে যাওয়ায় বেজায় চটেছেন ফেল্পস-ফ্যানরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় যা-তা লেখালিখি চলছে এই প্রতিযোগিতা নিয়ে।

দেখুন সেই ‘রেস’-এর ভিডিও