ইংল্যান্ডে শোচনীয় ব্যর্থতার সাক্ষী ভারত। নেতা কোহলি বাদে প্রত্যেকের পারফরম্যান্সেই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে বিদেশের অচেনা পিচে ক্রিকেটীয় যোগ্যতা নিয়ে। এর মধ্যেই আরও খারাপ খবর, টিম ইন্ডিয়াকে ঘিরে। মহম্মদ সামির বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ ফের ধেয়ে এল ভারত থেকে। হাসিন জহান ইস্যুতে এবার সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি মহম্মহ সামির বিরুদ্ধে। যার জেরে ডিজিপি-র কাছে দায়ের হল অভিযোগও। সর্বভারতীয় এক হিন্দি দৈনিকের খবর এমনটাই।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

চাঞ্চল্যকর সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হাসিন জহানের উপরে নির্যাতনের সাক্ষী থাকা আরমানকে নাকি হুমকি দিয়েছেন স্বয়ং সামি ও তাঁর দুই ভাই। সামি ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছিলেন হাসিন জহান। তার পরে বহু জল গড়িয়ে গিয়েছে। সমস্ত অভিযোগ থেকে মুক্ত হয়ে দেশের জার্সিতে প্রত্যাবর্তনও করে ফেলেছেন সামি।

তবে সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামির ছোট ভাই মহম্মদ কাইফ একটি হোয়্যাটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করেছিলেন কিছুদিন আগে। সেই গ্রুপে মহম্মদ সামি, তাঁর ভাই হাসিব আহমেদ ছাড়াও ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুন্দা ইম্মা গ্রামের আরমান। কে এই আরমান? হাসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মহম্মদ সামির দূর সম্পর্কের কাকা হন আরমান। দূর সম্পর্কের এই কাকাকেই নাকি মারাত্মক হুমকি দিয়েছেন সামি। জানা গিয়েছে, সামির ভাইয়ের তৈরি করা সেই হোয়্যাটসঅ্যাপ গ্রুপেই রবিবার মহম্মদ সামির প্রয়াত পিতা ও তাঁর পরিবার নিয়ে কমেন্ট করেন আরমান। এরপরেই গ্রুপে কার্যত ‘যুদ্ধ’ শুরু হয়ে যায়। একে অন্যের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পালটা কমেন্ট করতে থাকেন।

রবিবার রাতেই ইংল্যান্ড থেকে হোয়াটসঅ্যাপে সেই সমস্ত মেসেজ চোখে পড়ে মহম্মদ সামির। তারপরেই তিনি নাকি সরাসরি হুমকি দেন আরমানকে। দেশে ফিরে দেখে নেওয়ারও কথাও বলেন। রাগের মুহূর্তে সামি এই সমস্ত পোস্ট করলেও, ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সঙ্গে সঙ্গেই সেই সমস্ত মেসেজ ডিলিট করে দেন তারকা ক্রিকেটার। তবে আরমান সেই সমস্ত হুমকি-বার্তার স্ক্রিনশট নিয়ে রাখেন। এর পরেই আরমান সমস্ত স্ক্রিনশট নিয়ে ডিজিপি-র কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।

এমন ঘটনা স্বীকার করে নিয়েছেন হাসিন জহানও। তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়ে দেন, ‘‘আরমানকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি দিয়েছে ওঁরা। আইপিএল চলাকালীনও হুমকি দিয়েছিল। হুমকির পরে লালবাজারে গিয়ে আমিও পুলিশকে জানাব।’’