ডার্বি জয়ের তিনি ছিলেন সহ-নায়ক। তার পর চার্চিল-ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি ছিলেন মাত্র ৭ মিনিট। ইউটা কিনওয়াকি আপাতত নেই বেশ কয়েকম্যাচ।

তবে শিলং ম্যাচে জাপানি মিডফিল্ডার সশরীরে মাঠে না থেকেও ছিলেন সতীর্থদের মনে। না হলে দিপান্ডা ডিকা কেন গোল করেই ইউটা-র জার্সি তুলে ধরবেন। ইউটাকে সম্মান জানানোর মঞ্চেই নায়ক এই ডিকা। পুরনো দলের বিরুদ্ধে ‘ব্যক্তিগত’ ডুয়েলেও শেষ হাসি তাঁর। ডিকার জার্সি তুলে ধরা দেখে অনেকেই ফিরে যেতে পারেন ব্রাজিল বিশ্বকাপে। জার্মানির বিরুদ্ধে ম্যাচে ছিলেন না নেমার। কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন টুর্নামেন্ট থেকে। জার্মানি ম্যাচের বল গড়ানোর আগে দাভিদ লুইজ নেমারের জার্সি তুলে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছিলেন। দিপান্ডা ডিকাও এদিন দাভিদ লুইজকে মনে করিয়ে দিলেন। 

এরকম বেনজির শ্রদ্ধা জানানোর পরেও সবুজ-মেরুনের প্রাপ্তি এক পয়েন্টই। সব মিলিয়ে চোট আঘাতে মিনি হাসপাতালে পরিণত হওয়া মোহনবাগান নিজেদের দ্বিতীয় সারির দল নামিয়ে এক পয়েন্টের বেশি পেল না।

ইউটা-সনি-ক্রোমা নেই। দিয়েগো ‘এগজিট মোডে’।  এমন অবস্থায় অরিজিৎ বাগুইয়ের বদলে এদিন প্রথম একাদশে রাখা হয়েছিল অভিষেক দাসকে। সনির জায়গায় দীপেন্দু দুয়ারি। যুবভারতীতে পাহাড়ি ব্রিগেডকে ধ্বংস করার জন্য সঞ্জয় সেনের তুরুপের তাস ছিলেন ডিকাই।

শুরুতেই বাগানের ঝড় থেকে প্রথম গোল। শেখ ফৈয়াজকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেছিলেন শিলং ডিফেন্ডার রাকেশ প্রধান। পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল ডিকার। পুরনো দলের বিরুদ্ধে গোল করেই যুবভারতীর ভরা গ্যালারিতে তুলে ধরলেন সতীর্থ ইউটার জার্সি।

এদিকে, ৪ তারিখে ডার্বির ঝলক ফের শিল্টন পালের গ্লাভসে। বেশ কয়েকটি ভাল সেভ করলেন তারকা গোলকিপার। পাহাড়ি ছেলেরা নিজেদের ট্রেডমার্ক স্টাইলে গোটা ম্যাচেই দৌড় করাল মোহনবাগানকে।

দ্বিতীয়ার্ধে ক্লান্তিতেই গোল হজম বাগানের। বক্সের মধ্যেই সনির অনুপস্থিতিতে ‘ক্যাপ্টেন’ হওয়া কিংশুক ফাউল করে বসেন শিলংয়ের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আইমান আল হাগরিকে। পেনাল্টি থেকে গোল লালমুইয়ানপুইয়ার।

এরপর শিল্টন ডি’ সিলভাকে তুলে রাণা ঘরামিকে নামালেও গোল শোধ করতে পারেনি মোহনবাগান। কিংশুকই ভিলেন হয়ে গেলেন।