বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপের হাত ধরেই কার্যত শহরে ফিরে এল বর্ষা। আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, ওই নিম্নচাপটি গোটা দক্ষিণবঙ্গেই বর্ষার পথকে অনেকটা সুগম করে দিয়েছে। রবিবার তেমন করে বৃষ্টি না-হলেও টিপ টিপ করে সারদিনই ঝরেছে জল। আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা। তাতেই শহরের তাপমাত্রার পারদ স্বাভাবিকের চেয়ে দু’ডিগ্রি কমে গিয়েছে। আপাতত আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বজ্র-বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর।

রবিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল, ৩১.১, যা স্বাভাবিকের চাইতে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৩, যা স্বাভাবিকের চাইতে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা সারা দিনই আকাশ মেঘলা থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিও চলবে। ফলে তাপমাত্রাও আরও নেমে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। ফলে আপাতত স্বস্তি মিলবে শহরবাসীর। প্যাচপেচে জ্বালা ধরানো গরমের হাত থেকে অনেকটাই মুক্তি মিলবে।

গত ১১ জুন দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকেছিল। এক-দু’দিন বৃষ্টি হলেও তার পর থেকেই আস্তে আস্তে বর্ষা থমকে যায়। আবহবিদেরা জানিয়েছিলেন, বর্ষার গতি কমে যাওয়ার কারণে নতুন করে বায়ুপ্রবাহ তৈরি না-হওয়া পর্যন্ত বর্ষাও সক্রিয় হবে না। এই নিম্নচাপের সৌজন্যে সেটিই ঘটল। বর্ষা ফের সক্রিয় হল। বর্ষা চলে যাওয়ার ফলে বিহার এবং ঝাড়খণ্ড থেকে গরম হাওয়া ঢুকে তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। শহরের তাপমাত্রা পারদ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এই বৃষ্টি সেই তাপপ্রবাহের অবসান ঘটাল বলে মনে করছেন আবহবিদেরা।