গুজরাতি খানা আর নিরামিষেই অতিথি অ্যাপায়ন বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের!

গুজরাতে বিজেপি’র জয়ের পর মঙ্গলবার দিল্লির ১৮১ সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে মুকুল মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করেছিলেন। ছিল ধোকলা, পোলাও, ছানার ডালনা, পনীর, ধোকার ডালনা—সবই নিরামিষ পদ। মেনুতে নিরামিষ কেন? এক মুকুল-ঘনিষ্ঠের মন্তব্য, ‘‘আজ মঙ্গলবার। এদিনে হনুমানের পুজো হয়। তাই মধ্যাহ্নভোজনে নিরামিষের ব্যবহার।’’ অন্য এক অনুগামীর বক্তব্য, ‘‘আমরা সাত্ত্বিক হিন্দু। মঙ্গলবার। তাই নিরামিষ।’’

বিজেপি’তে যোগদানের পরে দিল্লিতে আরও একটি মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করেছিলেন মুকুল। সেই ভোজসভায় মেনু ছিল নিরামিষ পদেরই। গেরুয়া শিবিরে যোগদানের পর থেকে নিরামিষেই মজেছেন মুকুল! যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনীতির কারবারিদের একাংশের মধ্যে। তাঁদের মতে, গেরুয়া শিবিরের যে কোনও কর্মসূচিতেই নিরামিষ পদ ব্যবহার হয়। তার সঙ্গে সাযূজ্য রেখেই মুকুলের এমন ‘নিরামিষ’ আয়োজন। কারণ, এখন আপাদমস্তক গেরুয়া হয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী! এদিনের মধ্যাহ্নভোজনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়েরা। সূত্রের খবর, এদিনের মধ্যাহ্নভোজনে তৃণমূলের বেশ কয়েকজন সাংসদকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মুকুল।

গুজরাত এবং হিমাচল প্রদেশের ভোটের ফল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে মুকুল বলেন, ‘‘তিনি (মুখ্যমন্ত্রী) জানেন, এই জয়ের পর তাঁর দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন না। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে তাঁর শাসন হারাবে তৃণমূল।’’