তৃণমূল ছেড়ে দেবেন, সে কথা আগেই বলে দিয়েছেন। পুজোর পরেই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। তার পরে মুকুল রায় কোন দিকে যাবেন, তা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত।

বিজেপি-তে যোগদান নাকি নিজের দল— এই প্রশ্ন নিয়ে যখন তাঁকে ছেঁকে ধরেছেন সাংবাদিকরা, তখন কাঁচরাপাড়ায় নিজের বাড়িতে দুর্গাপুজোর অঞ্জলী দিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিলেন মুকুল।

তিনি বলেন, ‘‘আমি কিন্তু ভাই হিন্দুর ছেলে। আমি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করি। অন্যের ধর্মকে শ্রদ্ধা করি।’’

হঠাৎ করে ‘হিন্দুর ছেলে’ বলার কী দরকার পড়ল মুকুলের তা নিয়েই আলোচনা শুরু হয়েছে নতুন করে। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

তাহলে কি বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার মাঠ তৈরি করছেন মুকুল? এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য সোজাসুজি দেননি তিনি। হেঁয়ালি বাড়িয়েছেন। মুকুলের বক্তব্য, ‘‘আমি আগেই বলে দিয়েছি আমি তৃণমূলে থাকব না। তাই স্বাভাবিক ভাবেই আমি কী করব, সেটা ‘ওয়াইড ওপেন’।’’

তাঁর ছেলে বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ও সপরিবারে ছিলেন বাবার সঙ্গেই। তিনিও কী বাবার পথ অনুসরণ করবেন, এই জল্পনাও শুরু হয়েছে।

শুভ্রাংশুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘অনেকদিন আগে আমি একটা লেখা লিখেছিলাম, সেখানে বলেছিলাম, বাবা কে? দিদিই সব। তিনিই আমার সব। আমি তৃণমূলে ছিলাম, আছি, থাকব।’’

পুজোর মাঝে রাজনৈতিক জল্পনা জিইয়ে রাখলেন পিতা-পুত্র দু’জনেই।