সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা রীতিমতো ঈর্ষণীয়। এ বিষয়ে গোটা বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের অধিকাংশকেই পিছনে ফেলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু এই ফলোয়ারদের একটি বড় অংশই যে আসলে অস্তিত্বহীন, তার প্রমাণ পাওয়া গেল। 

সম্প্রতি ফেক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে শুরু করেছে টুইটার। আর তাতেই একধাক্কায় টুইটারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রায় তিন লক্ষ ফলোয়ার কমে গিয়েছে। শুধু প্রধানমন্ত্রী একা নন, তাঁর মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতো একাধিক নামজাদা ব্যক্তিত্ব এই তালিকায় রয়েছেন। কিন্তু টুইটারে ফলোয়ারের সংখ্যার মতোই ফেক ফলোয়ারের ক্ষেত্রেও ভারতীয় রাজনীতিবিদদের অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। socialblade.com নামে একটি ওয়েবসাইটকে উদ্ধৃত করে একটি সর্বভারতীয় হিন্দি দৈনিকের প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ফেক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জেরে একদিনে টুইটারে মোদীর ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৭৪৬ জন ফলোয়ার কমে গিয়েছে। রাহুল গাঁধীর ক্ষেত্রে সংখ্যাটা অবশ্য অনেক কম। মাত্র ১৭ হাজার ৫০৩ জন। 

ভারতীয় রাজনীতিবিদদের মধ্যে সুষমা স্বরাজের ফলোয়ার সংখ্যা কমেছে ৭৪ হাজার ১৩২ জন। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের ৩৩ হাজার ৩৬৩ জন ফলোয়ার কমেছে। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কমেছে ১৩ হাজার ৫৬৫ জন। কংগ্রেস নেতা শশী তারুরের ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৫০৯ জন ফলোয়ার কমে গিয়েছে।

এই মুহূর্তে চার কোটিরও বেশি মানুষ টুইটারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ফলো করেন। ফলে লাখ তিনেক ফলোয়ার কমলেও জনপ্রিয়তার নিরিখে টুইটারে অন্যান্য ভারতীয় রাজনীতিবিদদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন তিনি।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্য অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছেন প্রাক্তন এবং বর্তমান দুই মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৩ লক্ষ ২৬ হাজার ১১৮ জন ফলোয়ার কমে গিয়েছে। ট্রাম্পকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন তাঁর পূর্বসূরী বারাক ওবামা। ফেক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জেরে টুইটারে ওবামার ২৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ১১৮ জন ফলোয়ার কমে গিয়েছে।