জাতীয় স্তরে সোনার পদক জিতেছেন। বেশিদিন হয়নি। তবে পেটের ভাত জোগাতে এবার সেই অ্যাথলিটকেই নামতে হল পথে। বাটি হাতে দাঁড়াতে হচ্ছে পথচারীদের সামনে। ভোপালের মনমোহন সিংহ লোধি আপাতত ট্র্যাজেডির এক অধ্যায়ের নাম!

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

ভারত ক্রীড়াশক্তিতে বিশ্বে ক্রমশ সুপার পাওয়ার হয়ে উঠছে। সদ্যই শেষ হয়েছে এশিয়ান গেমস। সেখানে জাতীয় অ্যাথলিটরা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। এর মাঝেই হঠাৎ শিরোনামে মনমোহন লোধি। ২০০৯ সালে এক দুর্ঘটনায় হাত খোয়াতে হয়েছিল তাঁকে। তবে অ্যাথলিট হওয়ার স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দেননি।

জীবনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দৌড়েছেন ট্র্যাকে। ২০১৭ সালে আমদাবাদে জাতীয় স্তরের এক প্রতিযোগিতায় রুপো জেতেন তিনি। রাজ্যের সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কারও দেওয়া হয় তাঁকে। এর পরেই মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিংহ চহ্বান সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

পেটের জ্বালায় ভিক্ষাকেই আশ্রয় করেছেন মনমোহন। — সংগৃহীত

তারপর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৬ হাজার প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের চাকরি মিললেও শিঁকে ছেড়েনি মনমোহনের। প্রতিশ্রুতিই সার! এখনও চাকরি পাননি তিনি। শেষপর্যন্ত প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিয়েছেন ভিক্ষাবৃত্তির।

সংবাদসংস্থাকে মনমোহন বলেছেন, ‘‘ব্যক্তিগতভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চারবার দেখা করেছি। উনি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে কোনও প্রতিশ্রুতিই এখনও মেটাননি তিনি। আর্থিকভাবে আমি ভীষণ গরিব। আমার খেলাধুলো ও পরিবারের ভরণপোষন মেটানোর জন্য ভিক্ষার আশ্রয় নিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে চাকরি না দিলে হয়তো ভিক্ষে করেই বাঁচতে হবে।’’