১৮ জুলাই তারাপীঠের লজে এবার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করল প্রশাসন। দেশে বেড়ে চলা সন্ত্রাস রোধে ওই পদক্ষেপ নেওয়াহয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি। তারাপীঠের লজ ব্যবসায়ীরাও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

খাগড়াগড় থেকে বাংলাদেশ গুলশন কাণ্ড। সবেতেই নাম জড়াচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের।অন্যদিকে দিন দিন এরাজ্যে সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি হয়ে উঠছে বীরভূম। খাগড়াগড় কান্ডে জঙ্গি সন্দেহে বীরভূমের কির্ণাহার থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে এন আই এ। সম্প্রতিলাভপুরের বাসিন্দা মুসাকে গ্রেফতার করার পর লাভপুর থেকে আরও চার জনকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতারের পর নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। তাই বোলপুরের পর এবার তারাপীঠের লজে নজর দিল প্রশাসন। লজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রশাসন পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে প্রতিটি লজের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসাতে হবে। প্রতিটি যাত্রীর পুর্নাঙ্গ তথ্য প্রতিদিন জেলা প্রশাসনকে ই-মেল মারফৎ পাঠাতে হবে। তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি সফটওয়্যার দিয়ে দেওয়া হবে লজ গুলিতে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কোন যাত্রীকে সন্দেহজনক মনে হলে সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট থানায়। পরিচয় পত্র ছাড়া কাউকে লজে ঘর দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। 

সাম্প্রতিককালে তারাপীঠ অপরাধীদের মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠছিল। তারা তারাপীঠকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসাবে বেছে নিয়েছিল। তাই রুমা ঝা অপহরণ থেকে বামনগাছির সৌরভ হত্যার মুল নায়করা গ্রেফতার হয়েছিল এই তারাপীঠ থেকেই। সেই প্রবণতা ভাঙতেই প্রশাসনের তরফে এই উদ্যোগ। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন লজ মালিক থেকে শুরু করে তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি পর্যন্ত সকলেই।