৫২ বছরের মধ্যে অলিম্পিক্সে প্রথম ভারতীয় মহিলা জিমন্যাস্ট হিসেবে তিনিই ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন। ২০১৬ সালের রিও ডি জেনেইরোর অলিম্পিক্সে একটুর জন্য তৃতীয় স্থান পাননি বাঙালি জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার

তার পর প্রায় দু’বছর কোনও প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি দীপা। চোটের জন্য দীর্ঘ বিশ্রামের পরে জুলাই মাসে তুরস্কে ওয়ার্ল্ড চ্যালেঞ্জ কাপে আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকে সোনা জেতেন ত্রিপুরার বাসিন্দা দীপা। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

তারপরেই পুরোদমে প্র্যাক্টিস শুরু করেন এশিয়ান গেমস-এর জন্য। কিন্তু, একেবারে তীরে এসে তরি ডুবলো ভারতের ‘সোনার মেয়ে’র।

মঙ্গলবার পোডিয়াম প্র্যাক্টিস’ চলাকালীন আটমকাই হাঁটুতে চোট পান দীপা। ফলে আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকে তিনি যে পারফর্ম করতে পারবেন না তা জানিয়ে দেন।

তাঁর কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন যে, টিম ইভেন্টে পারফর্ম না করতে পারলেও, ব্যালান্সিং বিম-এ অবশ্যই সফল হবেন দীপা। 

যদিও জিমন্যাস্ট নিজে খুবই হতাশ। কিন্তু কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী তাঁকে বুঝিয়েছেন যে চিকিৎসকের পরামর্শেই দীপাকে ভল্ট খাওয়া থেকে বারণ করা হয়েছে। না হলে তাঁর হাঁটুর আরও ক্ষতির সম্ভাবনা হতে পারে।