৫৮ থেকে কমে সংখ্যাটি ৩৭ হয়েছে। রাজ্যের ৩৭ হাজার বুথে পঞ্চায়েতের জন্য ভোটগ্রহণ হচ্ছে। আর এই ভোটগ্রহণকে ঘিরে নানা ধরনের অভিযোগ আসছে।

কোথাও সকাল ৯টার মধ্যেই ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে গেছে, কোথাও ব্যালট পেপার বাক্স থেকে বের করে গণনা শুরু হয়ে গেছে, কোথাও ছাপ্পা ভোট, কোথাও বন্দুকধারীদের তাণ্ডব, কোথাও সাংবাদিকদের আক্রমণ চলছে।

এছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রাণহানির ঘটনার খবরও আসছে। অন্তত ৪ জনের মৃত্যুর খবর সকাল ১১টার মধ্যেই এসেছে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

একে তো কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে রেখেছে, যদি ২০১৩ সালের থেকে এবারের পঞ্চায়েত ভোটে বেশি প্রাণহানি হয় বা ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়, তা হলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার ও সরকারি অফিসারদের বেতন থেকে ক্ষতিপূরণের টাকা কাটা হবে।

ফলে বেতনের টাকা কাটার ভয় না থাকুক, আদালতে সর্বসমক্ষে মর্যাদাহানির আশঙ্কা কমিশনের থাকা উচিত।

কিন্তু তার থেকেও বেশি আশঙ্কায় থাকা উচিত তৃণমূল কংগ্রেসের। কারণ সোমবার ৬৬ শতাংশ আসনে ভোট নেওয়া হচ্ছে। আর বাকি ৩৪ শতাংশে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিষ্পত্তি হয়ে গেলেও, তার সুতো কিন্তু এখনও সুপ্রিম কোর্টের হাতে।

সুপ্রিম কোর্ট বলে দিয়েছে, পরবর্তী শুনানির আগে পর্যন্ত এই ৩৪ শতাংশ আসনের ফলাফল সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ঘোষণা করা যাবে না।

একেই শীর্ষ আদালত মামলাটি শোনার সময়েই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের শতাংশের হিসেব দেখেই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। আর বিরোধীদের দাবি ছিল, শাসক দলের সন্ত্রাসের কারণেই এই আসনগুলিতে মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি তাদের প্রার্থীরা।

এখন যদি এই ৬৬ শতাংশ আসনের ভোটগ্রহণের সময়ে হিংসা মাত্রা ছাড়ায় তাহলে কিন্তু তার প্রভাব ওই ৩৩ শতাংশে পড়তে বাধ্য। কী পরিণাম হবে সেই হিংসার, তা বোঝা যাবে ৩ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানির দিন।

সুতরাং সেই মামলার কথা ভুলে গেলে কিন্তু বিপাকে পড়বে শাসক দলই। ১৭ মে ভোট গণনার পরেও কিন্তু ভয় কাটবে না শাসক দলের।