প্রার্থীপদ প্রত্যাহার না করায় রাতের অন্ধকারে বিজেপির মহিলা প্রার্থীর বাড়িতে ঢুকে তাঁর অন্তঃসত্ত্বা জা-কে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পাশাপাশি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর এবং লুঠপাটও চালানো হয় বলে অভিযোগ। ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ওই গৃহবধূ আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শনিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর থানার ঘোড়ালিয়া জোলপাড়ায়। সূত্রের খবর, বেলঘড়িয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২২০ নম্বর ও ২২১ নম্বর আসনে পাশাপাশি দু’টি বাড়ির দুই গৃহবধূ বিজেপির হয়ে মনোনয়ন জমা দেন। 

অভিযোগ, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের তরফে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। শাসক দলের দেওয়া হুমকিকে গুরুত্ব না দিয়ে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেননি বিজেপির ওই দুই প্রার্থী। অভিযোগ, শনিবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও প্রার্থীপদ প্রত্যাহার না করায় গভীর রাতে ওই দুই বিজেপি প্রার্থীর বাড়ীতে চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত সমাজবিরোধীরা। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

তারা দু’টি বাড়িতে ঢুকে বাড়ির সদস্যদের মারধর করার পাশাপাশি ভাঙচুর এবং লুঠপাট চালায়। শুধু তাই নয়, এক প্রার্থীর ছ’ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে জা-কে  ধর্ষণ করে দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে পরে তাঁকে কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনায় গোটা জোলপাড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ঘটনার তদন্তে নেমেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্যের দাবি, পারিবারিক বিবাদের জেরেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আক্রান্ত মহিলার পরিবার এবং বিজেপি নেতৃত্বের বয়ানেও পার্থক্য রয়েছে বলে দাবি করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।