ছোটবেলার অনেক খারাপ স্বভাবের জন্য পরে বড় হয়ে মাশুল গুনতে হয়। কিন্তু ছোটবেলায় কম ঘুমোনোর কারণে বড় হয়ে বিপদে পড়তে হতে পারে, এমনটা কেউ সাধারণত ভাবেন না। শৈশবে অনেকেই সহজে ঘুমোতে চায় না। এই অভ্যেস যে পরে বিষবৃক্ষ হয়ে দেখা দিতে পারে, তা কেউ কল্পনাতেও আনেন না। 

মার্কিন বিজ্ঞানী বার্নার্ড ফুয়েম্মেলারের জানাচ্ছেন, ছোটবেলায় ঘুমের ঘাটতি পরে ডেকে আনতে পারে অতিরিক্ত মেদবৃদ্ধি। এই ওজন বৃদ্ধির জন্য পরবর্তীকালে অতিরিক্ত ওজনজনিত ক্যানসারের মতো অসুখও দেখা দিতে পারে।

এর কারণ নির্ধারণের জন্য ১২০টি সদ্যোজাত শিশুর মায়েদের উপরে একটি ‘নিউবর্ন এপিজেনেটিক’ পরীক্ষা করেছিলেন ফুয়েম্মেলার এবং তাঁর টিম। গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, ঘুমের সময় কম হওয়ার সঙ্গে বিএমআই বা ‘বড়ি মাস ইন্ডেক্স’ ওতোপ্রতভাবে জড়িত। ঘুমের পরিমাণ বাড়লে ০.১৩ বিএমআই হ্রাস পায়। ঘুমের প্রকৃতি এবং সময়ের ঘাটতি শরীরে মেদ জমার জন্য দায়ী। তাই মেদের সমস্যা প্রতিরোধ করতে যথাযথ ঘুমের প্রয়োজন। 

আমেরিকান অ্যসোসিয়েশন ফর ক্যানসার রিসার্চ-এর বিশেষজ্ঞদের মতে, বহু বাচ্চা অনিদ্রার সমস্যায় আক্রান্ত। দুঃস্বপ্নের জন্য, বার বার ভেঙে যাওয়ার জন্য, এবং অন্যান্য কারণে ঘুম অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এপ প্রভাব পড়ে মেদবৃদ্ধির উপরে এবং ক্যানসারের সম্ভাবনা দেখা দেয়।