নরেন্দ্র মোদীর জিএসটি সফল না ব্যর্থ? দেশ কি জিএসটি-কে মানল? মানে আসমুদ্র হিমাচল? আপামর ভারতবাসী কটিমাত্র বস্ত্রাবৃত হয়ে কি গেয়ে উঠল ‘মরণরে তুঁহু মম জিএসটি সমান’? 

খেলা গম্ভীর এই বাংলায়। সিনেমার টিকিটে জিএসটি লাগু হওয়ার গল্প নয়। এ একেবারেই ‘কাঁটা লাগা’। সম্প্রতি হোয়াটস অ্যাপে ঘুরপাক খাচ্ছে উপরের পোস্টারটি। ‘জিএসটি’-র অর্থ এখানে গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স নয়। অ্যাব্রিভিয়েশনের খোসা ছাড়ালে বেরিয়ে আসে— ‘গলতি সির্ফ তুমহারি’। একটি নিছক হিন্দি ছবির নাম। এই মুহূর্তে হুগলি জেলার ত্রিবেণীর অশোকা হল-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলছে পুনম পাণ্ডে, মনীষা ঠাকুর, রবি যাদব, নভি বাঙ্গু অভিনীত এই ছবি। পরিচালনা সূর্যকান্ত ত্যাগী। 

কম বাজেটের এই ছবি নিয়ে বলার কিছুই নেই। এখানে ট্রেলার রইল নিজগুণে দেখে নিন।


জিএসটি-কে সহজে ছাড়ছে না বলিউড। খোদ রামগেপোল বর্মাও এই নামে একটা ছবি করছেন। তার পুরো নাম ‘গড, সেক্স অ্যান্ড ট্রুথ’। সানি লিওনের ভাত মারতে সেখানে আবির্ভূত হচ্ছেন খ্যাতনামা পর্নস্টার মিয়া মলকোভা। ভারতীয় সিনেমার পানুভবনে মোদী ও তাঁর অর্থনৈতিক নীতির যে পরোক্ষ অবদান থেকে যাচ্ছে, তা অস্বীকার করা যাবে না কিছুতেই।

‘গড, সেক্স অ্যান্ড ট্রুথ’-এর ফার্স্ট লুক

তা হলে প্রশ্ন— জিএসটি, তুমি কার? আপাতত ত্রিবেণী থেকে থিরুঅনন্তপুরম চিৎকার করে বলতে পারে— পুনম পাণ্ডের! মিয়া মলকোভার!!

রামু বর্মা তাঁর ছবির ফার্স্ট লুক-এ ছবিকে ‘মিয়া মলকোভার দার্শনিক সন্দর্ভ’ বলেছেন। দিশি-বিলিতি সংবাদমাধ্যমের খবর, এতে নাকি ফেমিনিজমের চাষ! সময়ই বলেবে ‘জিএসটি’ রামুকে দীর্ঘকালীন ফ্লপের গাড্ডা থেকে তুলতে পারে কি না।