নস্ত্রাদামুস— মারা গিয়েছেন ১৫৬৬ সালে। কিন্তু, তাঁর জীবদ্দশাতেই পৃথিবী সম্পর্কে এমন কথা বলে গিয়েছিলেন যা মিলে যাচ্ছে অক্ষরে অক্ষরে।

ফরাসি বিপ্লব, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরমাণু বোমার ব্যবহার, নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ার আক্রমণের মতো ঘটনার কথা যেমন বলেছিলেন এই দ্রষ্টা। পাশাপাশি হিটলারের উত্থান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট, জন এফ কেনেডির হত্যা, ব্রিটেনের প্রিন্সেস ডায়নার মৃত্যুর উল্লেখও পাওয়া যায় তাঁর বই ‘লে প্রোফেটিজ’-এ। সাম্প্রতিক ঘটনা বললে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে ডোনান্ড ট্রাম্পের মতো কেউ হবেন, তাও নাকি ‘প্রেডিক্ট’ করেছিলেন নস্ত্রাদামুস।

ফলে, তাঁর ‘প্রফেসি’কে একদম উড়িয়ে দেওয়া যায় না। দেখে নেওয়া যাক, ২০১৮ সালের জন্য কী বলে গিয়েছিলেন এই ‘সিয়ার’।


নস্ত্রাদামুস (ছবি: উইকিপিডিয়া)

১। পৃথিবীতে এমন অনেক কিছু ঘটবে, যার ফলে আমূল বদলে যাবে এই বিশ্ব।

২। অনবরত প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রভূত ক্ষতিগ্রস্থ হবে এই ধরাধাম।

৩। আবারও যুদ্ধ হবে। তবে তা বিশেষ কোনও দুটি দেশের মধ্যে নয়। যুদ্ধ হবে পৃথিবীর দুটি দিকে। 

৪। নস্ত্রাদামুস বলেছেন, ‘আকাশ থেকে আগুনের গোলা ঝরে পড়বে’, যাতে প্রাণ হারাবেন সাধারণ মানুষ। 

৫। বিশ্বের পূর্ব দিক ভূমিকম্প ও বন্যায় নষ্ট হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন নস্ত্রাদামুস। আর পশ্চিমের দিকে আবহাওয়ার কারণে ক্ষতি হবে প্রবল ভাবে। 

৬। তাঁর মতে, পৃথিবীর মানুষ নিজের স্বার্থে প্রকৃতির যে অবমাননা করছে, তার ফলস্বরূপ প্রকৃতিই তার বদলা নেবে নিজের খেয়ালে।  

আশার কথা একটাই, এই প্রাকৃতিক ও ম্যান-মেড বিপর্যয় শেষ হতে সময় লাগবে প্রায় আট বছর। শান্তি ফিরে আসবে ২০২৫ সাল থেকে। জন্ম হবে এক নতুন বিশ্বের। এমনই দাবি নস্ত্রাদামুসের। এখন দেখার সেই ভবিষ্যৎবাণীর কতটা মিলে যায়, কতটা শুধুই ‘বাণী’ হিসেবে থেকে যায়।