শেষ হয়েও সম্পর্ক যেন হইল না শেষ। কোথা থেকে কখন যে কী হয়ে গেল!

সেদিন প্রিয়ঙ্কা যখন সাক্ষাৎকার দিতে এলেন, তাঁকে মনে হল যেন সাঁঝ আকাশের তারা। ক্লাস ইলেভেনে পড়তে পড়তেই চিরদিনই তুমি যে আমার ছবিতে ডেবিউ। কিন্তু সেই কিশোরী কোন অতলে হারিয়ে গিয়েছেন! আজ যিনি সামনে এসে বসলেন, তিনি এক ছোট্ট ছানার দায়িত্বশীল মা। সহজ-মা বলি আপনাকে?

‘‘নিশ্চয়ই, তবে ইজি মম একেবারেই নই। কাজের বাইরে ওই সহজই তো আমার একমাত্র অবলম্বন। আমার সময় যো কোথা দিয়ে কাটে, বুঝতেই পারি না।’’ প্রিয়ঙ্কার ঠোঁটের কোণে লাজুক হাসি। একচিলতে উঁকি দিল সেই ছোট্ট প্রিয়ঙ্কা।

‘আমার আপনজন’ ছবিতে আবার তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেল স্কুল ড্রেসে। ছোট্ট মেয়ের ভূমিকা থেকে উত্তীর্ণ ছোট্ট বাচ্চার মা-তে। কোন রহস্যে বলুন তো, আপনাকে একটুও বেমানান লাগল না, এতগুলো বছর পেরিয়েও! ‘‘জানেন, ওই চরিত্রটা হাতে পাওয়ার পর আমি কিন্তু আবার চিরদিনই তুমি যে আমার দেখেছিলাম। ছোটবেলায় আমার হাবভাব কেমন ছিল। আর এই ‘যকের ধন’ ছবিতে অ্যাক্টিং করার সময়ে নিজেকে যেন লারা ক্রফ্ট মনে হচ্ছিল। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তো কোনওদিন হতে পারব না!’’ খিলখিল করে হেসে উঠলেন তিনি। কিন্তু এখন তিনি লিড রোল পাচ্ছেন কম। নিজেই জানালেন কারণটা কী।

কেন এখন একক নায়িকার ভূমিকায় অভিনয়ের সুযোগ পাচ্ছেন কম? কী বললেন প্রিয়ঙ্কা? দেখুন ভিডিও

একলা হাতে মানুষ করছেন ছোট্ট সহজকে। কতটা দায়িত্ব পালন করেন রাহুল? দেখুন ভিডিও

 

যকের ধন ছবির স্ক্রিপ্টই তাঁকে টেনেছিল, তার আগে পড়া ছিল না হেমেন্দ্রকুমারের উপন্যাস, নির্দ্বিধায় জানালেন প্রিয়ঙ্কা। তাই বলে খাটুনি কিছু কম দেননি। নিজের ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষয়ক্ষতির আঁচ লাগতে দেননি কেরিয়ারে। এই প্রতিযোগিতার বিচারে নিজের কেরিয়ারের চেয়ারটা ঠিক রেখেছেন। কারণ তিনি জানেন আর বিশ্বাস করেন, ‘‘আমিই নায়িকা। বাকিরা সবাই পার্শ্বচরিত্র।’’ 


এবার কিন্তু প্রিয়ঙ্কা খুললেন অপার রহস্যের দ্বার। শুনে নিন কী বললেন তিনি।