ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য আনা হয়েছিল ‘মরা’ ময়াল! গায়ে রাসায়নিক পড়তেই নড়ে উঠল সেই সাপ। মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে হইচই গোটা কলেজ জুড়ে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার খ্রিষ্টান কলেজে।

সূত্রের খবর, গত শনিবার প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ল্যাবরেটরিতে বড়সড় একটি ময়াল সাপকে সংরক্ষণের জন্য নিয়ে আসে এক ছাত্র। তাঁর দাবি ছিল, সাপটি মৃত। এর পরে সংরক্ষণের জন্য রাসায়নিক প্রয়োগ করতেই সাপটি নড়তে শুরু করে এবং ল্যাবের টেবিলের নীচে ঢুকে পড়ে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্ক ছড়ায় কলেজে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

এর পরই সাপ ধরার জন্য স্থানীয় এক সাপুড়িয়াকে ডেকে আনে কলেজ কর্তৃপক্ষ। শেষ পর্যন্ত ওই সাপুড়িয়াই সাপটিকে ধরে নিয়ে যান। কলেজ কর্তৃপক্ষের সাপুড়িয়া ডাকার ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় বন দফতরের অফিস থাকা সত্ত্বেও সেখানে খবর না দিয়ে কেন সাপুড়িয়াকে সাপ ধরতে ডাকা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ মুখ খুলতে চায়নি।

দেখুন ভিডিও

 

 
যদিও, বনদফতরের কাছে কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজেদের ভুল স্বীকার করেছে বলেই খবর। সাপুড়িয়া দাবি করেছেন, তিনি সাপটি পলাশতলার জঙ্গলে ছেড়ে দিয়েছে। এবার সেই সাপকে উদ্ধার করে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় বন দফতর। আপাতত বাঁকুড়ার পলাশতলার জঙ্গলে সেই ময়ালেরই খোঁজ চলছে।