বন্ধু পারেননি শেষ লড়াইটা জিততে। জীবনে বহু কঠিন যুদ্ধ জিতলেও লন্ডনের হাসপাতালে থেমে গিয়েছে একাত্তরের ‘যুবক’ গোপাল বসু। আর সেই খবর পাওয়া মাত্রই ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছেন তাঁর সতীর্থ, সহযোদ্ধা সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়। বঙ্গ ক্রিকেট মহলে যিনি পরিচিত রাজু মুখোপাধ্যায় নামেই।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

রাজু মুখোপাধ্যায় ও গোপাল বসু হরিহর আত্মা। একসঙ্গে বাংলার জার্সিতে প্রথম শ্রেণির ম্যাচে খেলেছেন ছ’-সাত বছর। ১৯৮২-তে রাজু মুখোপাধ্যায় যখন অবসর নেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে, তাঁর বছর চারেক আগেই বুট-জুতো তুলে রেখেছিলেন গোপালবাবু।

ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও ময়দান থেকে দূরে রাখা যায়নি দুই বন্ধুকে। সিএবি-র রোজনামচায়, বাংলার ক্রিকেটের উন্নতি, যে কোনও ক্রিকেট বিষয়ক অনুষ্ঠান এলেই ডাক পড়ত এই মানিকজোড় গোপাল বসু ও রাজু মুখোপাধ্যায়ের। একাধিক পত্র পত্রিকায় ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ হিসেবে কলামও লিখতেন।

মাঠ ও মাঠের বাইরের এহেন সতীর্থের মৃত্যুসংবাদ পেয়েই ভেঙে পড়েছেন রাজু মুখোপাধ্যায়। গোপাল বসুর মৃত্যুর পরে, তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হলে রাজু মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী বলেন, উনি বাকরূদ্ধ। কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। শরীর খারাপ হওয়াতে আপাতত পুরোপুরি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।