বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনে চাঁদের হাঁট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দু’ পাশ আলো করে রয়েছেন মুকেশ অম্বানী, লক্ষ্মী মিত্তল এবং সজ্জন জিন্দলের মতো শিল্পপতিরা। শিল্পপতিদের মধ্যে সবার প্রথমে বক্তব্য রাখার সুযোগ পেলেন রিলায়েন্স জিও কর্ণধার মুকেশ অম্বানী। রিলায়েন্স কর্তা অবশ্য মমতাকে হতাশ করেননি। তিনি যা বললেন, তাতে মমতার মতো খুশি হবেন বাংলার জিও ব্যবহারকারীরাও।

মুকেশ অম্বানীর বক্তব্যের বড় অংশ জুড়েই ছিল বাংলায় জিও-কে নিয়ে সংস্থার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। সেখানেই মুকেশ প্রতিশ্রুতি দেন, ২০১৮-র মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের একশো শতাংশ মানুষের কাছে ফোরজি পরিষেবা পৌঁছে দেবে রিলায়েন্স জিও। অর্থাৎ, বাংলার প্রতিটি প্রত্যন্ত গ্রামেও পৌঁছে যাবে জিও-র ফোরজি পরিষেবা।

কী বললেন মুকেশ, দেখুন ভিডিও

 

শুধু তাই নয়, আগামী দু’বছরের মধ্যে গোটা রাজ্যকে শক্তিশালী অপটিক ফাইবার নেটওয়ার্কের সাহায্যে জুড়বে জিও। স্কুল, কলেজ, হাসপাতালগুলিকে উন্নত এই পরিষেবা দিয়ে সংযুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন মুকেশ। 

শুধু তাই নয়, এবার থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাংলায় জিওফোন সরবারহ করবে সংস্থা। পাঁচটি জেলায় তৈরি হবে জিও-র ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার। গোটা দেশের মধ্যে বাংলাতেই প্রথমবার রিটেল স্টোরগুলিতেও ডিজিটাল ডিভাইসের সাহায্যে পরিষেবা দেবে জিও।

জিও সংক্রান্ত বিনিয়োগ ছাড়াও পেট্রোলিয়াম, রিটেলের মতো রিলায়েন্সের অন্যান্য ব্যবসাতেও আগামী তিন বছরে বাংলায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের আশ্বাস দিয়েছেন মুকেশ।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

এ দিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে আগাগোড়াই শিল্প টানতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেছেন মুকেশ। পরিকাঠামো উন্নয়ন, শিল্প ক্ষেত্রে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দরাজ সার্টিফিকেট দেন রিলায়েন্স কর্তা। তিনি বলেন, বাংলায় জিও-র প্রায় ২ কোটি গ্রাহক রয়েছেন। জিও-র মাধ্যমে প্রায় এক লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে এ রাজ্যে। ভবিষ্যতে যা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন জিও কর্ণধার। ভবিষ্যতে বাংলার ফুটবলে উন্নয়নের জন্য তৃণমূল স্তরে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন মুকেশ।