তৃণমূল ঘনিষ্ঠতার ‘ইঙ্গিত’। পাশাপাশি, সদ্য বিজেপি’তে যোগ দেওয়া মুকুল রায়কে খোঁচা।

বহিষ্কৃত সিপিএম সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইট নতুন জল্পনা তৈরি করল রাজ্য রাজনীতিতে। বালুরঘাটের এক তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগে মামলা রুজু হওয়ার পর ফেসবুক-টুইটার থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন ঋতব্রত। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রত্যাবর্তন ঘটেছে তাঁর!

এদিন টুইট করে ঋতব্রত জানিয়েছেন, তিনি দিল্লিতে পরিবহণ, পর্যটন এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। লিখেছেন, ‘বৈঠক ভালই চলছে। সদস্যেরা তাঁদের মূল্যবান মতামত দিচ্ছেন’। তিনি আরও লিখেছেন, ‘বৈঠকে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করার জন্য কমিটির চেয়ারম্যান ডেরেক ও ব্রায়েনকে ধন্যবাদ। আগে এটা ছিল না’।

ডেরেক তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা। টুইটের দ্বিতীয় অংশে তৃণমূলের প্রতি ঋতব্রতের ‘টান’ খুঁজে পাচ্ছেন রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। তাঁদের মতে, মামলা চলার কারণেই ঋতব্রত রাজ্যের শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হতে চাইছেন। সেই কারণেই তাঁর ‘ডেরেক-স্তুতি’।

‘তাৎপর্যপূর্ণভাবে’, ডেরেকের আগে ওই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন মুকুল। তৃণমূলের সঙ্গে মুকুলের সম্পর্কের অবনতি হওয়ার পর তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। টুইটে ‘আগে এটা ছিল না’ লিখে ঋতব্রত এদিন মুকুলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। 
ঋতব্রতকে মামলা থেকে বাঁচানোর চেষ্টার অভিযোগে মুকুলকেও পুলিশ ‘ফাঁসানোর’ চেষ্টা হচ্ছে বলে বিজেপি’র অভিযোগ। এই প্রেক্ষিতে মুকুলের বিরুদ্ধে ‘তীর্যক মন্তব্য’ করে ঋতব্রত তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ হতে চেয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে ঋতব্রতর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।