বৃহস্পতিবার এক ডলারের সাপেক্ষে টাকার দর ছিল ৭০.৮২। চলতি বছরে সেটাই ছিল সর্বকালীন রেকর্ড পতন। শুক্রবার সেই মূল্য হয়ে গিয়েছে ৭০.৯৬। অর্থাৎ এক ডলারের ভারতীয় মূল্য প্রায় ৭১ টাকা। হিসেব বলছে, এই হ্রাসের হার প্রায় ০.৩১ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের মতে এই অঙ্কটা আর কমে ৭১ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

একদিকে কমছে টাকার দাম, অন্যদিকে চড়ছে পেট্রোপণ্যের দাম। পেট্রোলের সঙ্গে ডিজেলের দামেও রেকর্ড বৃদ্ধি হয়েছে। এক টানা দাম বাড়তে বাড়তে অবস্থা রীতিমতো আশঙ্কাজনক। এদিন নয়াদিল্লিতে পেট্রলের দাম বাড়িয়েছে ৭৮ টাকা ৩০ পয়সা৷ মুম্বই ও কলকাতায় যথাক্রমে ৮৫ টাকা ৭২ পয়সা ও ৮১ টাকা ২৩ পয়সা এবং চেন্নাইতে ৮১ টাকা ৩৫ পয়সা৷ একই ভাবে দিল্লিতে ডিজেলের দাম ৬৯ টাকা ৯৩ পয়সা৷ মুম্বই ও কলকাতায় শুক্রবার ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৭৪ টাকা ২৪ পয়সা ও ৭২ টাকা ৭৮ পয়সা এবং চেন্নাইতে ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৭৩ টাকা ৮৮ পয়সায়৷ এর অন্যতম কারণ টাকার দামে রেকর্ড পতন৷

ইতিমধ্যেই টাকার দামে পতন নিয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকার বিরোধীদের চাপে। কংগ্রেস কটাক্ষের সুরে এমনও বলেছে যে, স্বাধীনতার পরে এমন ‘আচ্ছে দিন’ আগে দেখেনি দেশ। নরেন্দ্র মোদী রেকর্ড গড়ে দিলেন।

অগস্ট মাসের ১৬ তারিখ থেকে রেকর্ড পরিমাণ পতনের সূচনা হয়। মার্কিন ডলারের তুলনায় ৭০ টাকা ৮২ পয়সা হয় টাকার মূল্য৷ সেই শুরু। এর পরে প্রত্যেকদিনই টাকার মূল্য নিম্নমুখী ছিল৷ অর্থনীতিবিদদের একাংশের বক্তব্য, যে হারে টাকার মূল্য পতন চলছে তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ভোগান্তি হতে পারে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে। সার্বিক মূল্যবৃদ্ধিও ঘটতে পারে জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে।