সচিন তেন্ডুলকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং ভিভিএস লক্ষ্মণ— তিন ক্রিকেটারদের আর হয়তো দেখা যাবে না অ্যাডভাইসারি কমিটিতে। খবরের ভিতরের খবর, অ্যাডভাইসারি কমিটিই তুলে দিতে পারে বিসিসিআই। এমনটাই খবর জাতীয় প্রচারমাধ্যমে। কারণ হিসেবে সেই প্রতিবেদনে স্বার্থ সংঘাতের ইস্যুকেই তুলে ধরা হয়েছে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় যেমন সিএবি-র সভাপতি। আবার ধারাভাষ্যকার হিসেবেও কাজ করেন সম্প্রচারকারী চ্যানেলে। ভিভিএস লক্ষ্মণ আবার বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় বিশেষজ্ঞের কলাম লেখেন। আইপিএল-এ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ-এর মেন্টরও তিনি।

সচিনের ক্ষেত্রে এমন কোনও সমস্যা নেই। তবে সচিনের পুত্র অর্জুন অনুর্ধ্ব-১৯ স্কোয়াডের সদস্য। নিয়ম অনুযায়ী, কোচ অথবা নির্বাচকের কোনও আত্মীয় জাতীয় দলে ঢোকার লড়াইয়ে থাকলে তাঁকে সেই দায়িত্ব ছাড়তে হয়। ২০১৫ সালেই এমন উদাহরণ রয়েছে। মধ্যপ্রদেশ নির্বাচক প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয় নরেন্দ্র হিরওয়ানিকে। কারণ, তাঁর পুত্র ছিল মধ্যপ্রদেশের রাজ্য স্তরের ক্রিকেটার।

তবে এবার ক্রিকেট অ্যাডভাইসারি কমিটিকে আরও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। সেই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে নতুন যাঁদের হাতে দায়িত্ব অর্পণ করা হবে তাঁদের এই বার রীতিমতো বেতন দেওয়া হবে। অতীতে সচিন থেকে সৌরভ কোনও বেতন না নিয়েই অ্যাডভাইসারি বোর্ডের মেম্বার ছিলেন।

গত বছরে জাতীয় সংবাদমাধ্যমে ক্রিকেট পরামর্শক কমিটিতে বেতন সংক্রান্ত ইস্যুতে বোর্ড জানিয়েছিল, ভারতীয় ক্রিকেটের ত্রয়ী কিংবদন্তি মোটেই অর্থ নিতে ইচ্ছুক নন। বর্তমানে কোচ বাছাইয়ের কাজ করেন সচিন, সৌরভ, লক্ষ্মণ। ২০১৬ সালে অনিল কুম্বলের নাম প্রস্তাব করেছিল সচিনদের এই অ্যাডভাইসারি প্যানেল। গত বছরে আবার শাস্ত্রীকেই কোচের পদে পুনর্বহাল করা হয়।