এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেতাদের থেকে তাঁদের বাচ্ছাদের রমরমা অনেক বেশি। আর সেই খুদেদের মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় সেফ আলি খান পটৌডি এবং করিনা কপূর খানের ছেলে তৈমুর আলি খান পটৌডি। নিত্যদিনই তাঁর নানা ঘটনা ক্যামেরা বন্দি হয়। কখনও মা করিনার সঙ্গে খেলার ছলে আবার কখনও বাবা সেফের কোলে ভ্রমণ করতে মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়ে পটৌডি বংশের খুদে নবাব। সদ্যই খেলার সঙ্গীও পেয়েছে ছোট্ট তৈমুর। আর সেখান থেকেই সমস্যার উৎপত্তি হয়েছে বাবা সেফের জীবনে।

বাবা সেফ আলি খানের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন তৈমুর আলি খান। (ছবি : সেফ আলি খানের ইন্সটাগ্রাম)

গত বছরের শেষের দিকেই পটৌডি বংশের কন্যা সোহা আলি খানের মেয়ে ইনায়ার জন্ম হয়। একই পরিবারের দু’টি শিশুর মধ্যে খুবই ভাব। ছোট বোনের সঙ্গে প্রায়শই খেলতে দেখা যায় তৈমুরকে। কিন্তু তাঁর বড় হওয়ার সঙ্গে সমবয়সী অন্যান্য বাচ্ছাদের মতোই হাতের সামনের সমস্ত জিনিস ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার অভ্যাসও ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে খুদে নবাবের মধ্যে। আর সেই কারণে বেশ চিন্তিত সেফ।

বোন ইনায়া খেমুর সঙ্গে তৈমুর আলি খান। (ছবি : কুণাল খেমু এবং সেফ আলি খানের ইন্সটাগ্রাম)

খেলার ছলে ইনায়াকে যাতে কোনও ভাবেই তৈমুর আঘাত না করে বসে সেদিকে সারাক্ষণ নজর রাখতে হয় সেফ-করিনাকে। তবে সেই ভয়ে দু’টি শিশুকে কখনই একে-অপরের থেকে আলাদা করেন না সোহা। ভবিষ্যতে দু’জনে পরস্পরের খুব ভাল বন্ধু হয়ে উঠবে, এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এমনই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

বোনের প্রতি অগাধ ভালবাসা তৈমুরের। তবে এ তো ছোটবেলার গল্পকথা। সেফ-করিনা এবং সোহা-কুণাল, দু’ই দম্পতিরই ইচ্ছা তাঁদের সম্তানরাও বড় হয়ে অভিনয়ের জগতে তাঁদের নাম উজ্জ্বল করবে। কিন্তু রূপলি পর্দায় পা রাখার পর দু’জনে পরস্পরের বন্ধু হবে, না প্রতিপক্ষ— সে তো সময়ই বলবে।