গত বছরই বাগদানের পালা মিটে গিয়েছিল। রবিবার সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠা সাক্ষী মালিক। দীর্ঘদিনের বন্ধু সত্যার্ত কাদিয়ানের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন ভারতীয় কুস্তিগির।
প্রথম ভারতীয় মহিলা কুস্তিগির হিসেবে অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদক দিতে ইতিহাস গড়েছিলেন সাক্ষী। দেশে ফেরার পর গত অক্টোবরে সত্যার্তের সঙ্গে বাগদান পর্ব সেরে ফেলেন। তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন, পরের বছরই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। যে সাক্ষীকে কুস্তির আখড়ায় দেখতে অভ্যস্ত তাঁর ভক্তরা, শনিবার তাঁকে চেনাই মুশকিল হয়ে পড়ল। মেহেন্দির অনুষ্ঠানে হাতে ও পায়ে মেহেন্দি লাগিয়ে সুন্দরভাবে নিজেকে সাজিয়ে তুলেছেন তিনি। সেই সব ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জীবনের স্পেশ্যাল মুহূর্তের আনন্দকে ফ্যানদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। সঙ্গে জানিয়েছেন, বিশেষ দিনটির জন্য তৈরি হচ্ছেন তিনি। বেশ উত্তেজিতও।

বিয়ের প্রস্তুতি।

 কুস্তির আখড়াতেই পরিচয় হয়েছিল সত্যার্তের সঙ্গে। ধুলো আর কঠোর পরিশ্রমের আড়ালে ধীরে ধীরে প্রেম দানা বেঁধেছিল। তবে কুস্তির মঞ্চে তার প্রভাব পড়েনি কখনও। ২০১৪ সালে কমনওয়েলথ গেমসে রুপো জিতেছিলেন তিনি। সে বছরই এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ ঘরে তুলেছিলেন। আর তাঁর বেটার-হাফ? সদ্য পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত সাক্ষী তো গোটা দেশের চোখের মণি।

আরও পড়ুন

কোচ কুলদীপকে যা গুরুদক্ষিণা দিলেন সাক্ষী, তা কেউ কোনওদিন দেননি

একটা পদক এভাবে বদলে দিল সাক্ষী মালিকের জীবন!

ভারতীয় কুস্তির সোনার মেয়ে সাক্ষী মালিক। অলিম্পিক মাতিয়ে আসার পর গোটা দেশ কুর্নিশ করেছিল। পরের অলিম্পিককে এখন থেকে চাঁদমারি করে এগোচ্ছেন তিনি। বিয়ে পর্ব মিটলেই নেমে পড়বেন আখড়ায়। নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে। আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ। সুলতান ছবিতে বিয়ে করার পর ম্যাটের দুনিয়া থেকে ক্রমশ হারিয়ে গিয়েছিলেন অনুষ্কা শর্মা। সংসারের চাপে কুস্তির রিং থেকে অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিলেন সুলতানের আরফা হুসেন। সাক্ষী যে সেই পথে হাঁটবেন না, তা এখন থেকেই বলা যায়।