জেলে গিয়ে প্রথম রাতটা না খেয়েই কাটল সলমন খানের। জেলের খাবার মুখে তোলেননি মহাতারকা। সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর তরফে এমনই দাবি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সলমন জেলে যাওয়ার পরেই জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, আদালতের নির্দেশ না থাকায় জেলে বিশেষ কোনও সুবিধে পাবেন না সলমন। আর পাঁচজন কয়েদির মতোই থাকতে হবে তাঁকে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

সেই মতো জোধপুর সেন্ট্রাল জেলের ১০৬ নম্বর কয়েদি সলমনকে রাতে অন্যান্য বন্দিদের মতোই রুটি, ডাল এবং তরকারি খেতে দেওয়া হয়। কিন্তু তা খাননি সলমন। তিনি বাইরে থেকেও কোনও খাবার আনাননি। রাতে শোয়ার জন্য সলমনকে সাধারণ একটি চৌকি, একটি তোষক এবং কুলার দেওয়া হয়।

কী বলছে জেল কর্তৃপক্ষ, দেখুন ভিডিও

 

জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, শুক্রবার সকালে জলখাবার হিসেবে সলমনকে সাদামাটা খিচুড়ি দেওয়া হবে। যদিও, রাতের খাবারের মতো সলমন প্রাতঃরাশও প্রত্যাখ্যান করেছেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি। 

তবে তারকা অভিনেতার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জেলের মধ্যে তাঁর জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাতে সলমনের জন্য তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা পোশাকও নিয়ে আসেন। জোধপুর জেলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত আসারাম বাপুর পাশের সেলেই রয়েছেন সলমন।

সলমনের দুই বোন অলভিরা এবং অর্পিতা জোধপুরেই রয়েছেন। তাঁর দুই ভাই আরবাজ এবং সোহেল খানেরও শুক্রবার জোধপুর আসার কথা।