উথুকেলায় কৃতী ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ দেওয়া নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ জন করে ছাত্রছাত্রীকে স্কলারশিপ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এ বছর থেকে এই নতুন নিয়ম আনা হয়েছে।

কেন এই ব্যবস্থা? মেয়রের দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, ‘‘পিওর অ্যান্ড ফোকাস অন স্কুল’’-এই বার্তা সামনে রেখে স্কলারশিপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত। প্রশাসন মনে করে, এতে পড়াশোনার প্রতি ছাত্রীদের আগ্রহ বাড়বে।

স্কলারশিপের জন্য আবেদনের প্রথম শর্তই হল স্বেচ্ছায় কুমারী থাকতে হবে। দূরে থাকতে হবে যাবতীয় যৌনতা থেকে। তাঁদের নিয়মিত কুমারীত্ব পরীক্ষা করা হয়। মেয়র ডুডু মাজিবুকো ছাত্রীদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘‘তোমরা নিজেদের ধরে রেখেছো। এ জন্য আমাদের তরফে তোমাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা আশা করি, পরের তিন বছর, অর্থাৎ, ডিগ্রি বা সার্টিফিকেট পাওয়া পর্যন্ত তোমরা এভাবেই নিজেদের ধরে রাখতে পারবে।’’

এখানেই শেষ নয়। সংশ্লিষ্ট ছাত্রী যদি নিজের কুমারীত্ব তার পরেও প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে স্কলারশিপের মেয়াদ বাড়ানো হবে।

তবে মেয়রের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদও শুরু হয়েছে। কমিশন ফর জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি-র চেয়ারপার্সন ম্‌ফ্যানোজেলওয়ে শোজি বলেছেন, ‘‘মেয়রের উদ্দেশ্য খারাপ, তা বলছি না। কিন্তু কুমারীত্বের ভিত্তিতে স্কলারশিপ দেওয়ার বিষয়টি যুক্তিগ্রাহ্য নয় বলেই মনে হয়।’’ সমাজকর্মীরাও এই নিয়ম বাতিলের পক্ষে রায় দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন

কুমারীত্ব হারানোর আগে ১০ বার ভাবুন