মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরতে হয়েছিল সেরিনা উইলিয়ামসকে। গত সেপ্টেম্বরে সন্তান জন্ম দেওয়ার সময়ে প্রায় মরতেই বসেছিলেন তিনি। অভিজ্ঞ কয়েকজন চিকিৎসক আর হাসপাতালের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ছিল বলে রক্ষে! সেই যাত্রায় বেঁচে ফেরেন কিংবদন্তি টেনিস-তারকা। টেনিস কোর্টের রানির ফুসফুসে রক্ত জমাট বেধেছিল। পরিস্থিতি হয়ে উঠেছিল বেশ জটিল। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

সিএনএন অনলাইনে লেখা কলামে সর্বকালের অন্যতম সেরা মহিলা টেনিস খেলোয়াড় ভয়ঙ্কর সেই অভিজ্ঞতার গল্প শুনিয়েছেন। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে নানা ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত তারকাকে। নিজের কলামে সেই কাহিনিরই অনুপুঙ্খ বিবরণ দিয়েছেন সেরিনা। কলামটির শুরুতেই সেরিনা লিখেছেন, ‘‘মেয়ে জন্মানোর পরে আমি তো মরে যেতে বসেছিলাম।’’ 

সন্তান জন্মের আগের ছ’ মাস তাঁকে বিছানাতেই আশ্রয় নিতে হয়েছিল। প্রতিযোগিতা-মূলক টেনিস থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। কন্যা অলিম্পিয়া জন্মানোর পরে ৩৬ বছর বয়সি তারকা বিভিন্ন ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। সেই সব জটিলতা কাটিয়ে ওঠার জন্য তাঁকে অস্ত্রোপচারও করতে হয়। 

সেই সব স্মৃতি নিয়েই সেরিনার কলাম। কন্যা জন্মানোর মুহূর্তের প্রসঙ্গে সেরিনা লিখেছেন, ‘‘অস্ত্রোপচার ঠিকঠাকই হয়েছিল। সবকিছু ভাল করে বুঝে ওঠার আগেই দেখি অলিম্পিয়া আমার বাহুতে। সেই অনুভূতি বলে বোঝানোর নয়। অলিম্পিয়া জন্মানোর ২৪ ঘন্টা পর থেকেই শুরু হয়ে যায় অনিশ্চয়তা।’’ 

জীবন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। অলিম্পিয়ার জন্ম হতেই সেরিনার শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। ফুসফুসের সমস্যা দেখা দেয়। রক্ত জমাট বাধে সেরিনার ফুসফুসে। সেই জটিলতাগুলো কাটাতে সেরিনাকে সাহায্য করেন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতি যে দিকে মোড় নিয়েছিল, তাতে অন্যরকম কিছু হলেও হতে পারত।