সিরিজের ফল কি তবে ৪-১ হতে চলেেছ? শনিবার ভারতীয় দলের ব্যাটিং বিপর্যয় দেখে সেই আতঙ্কই তো ফের দানা বাঁধতে শুরু করেছে। 
এই সফরে ইংল্যান্ডের টেলএন্ডাররা বারবার ম্যাচের আবহ পাল্টে দিয়েছে। সেই ছবি ওভালেও অব্যাহত। জস বাটলার (১৩৩ বলে ৮৯) এবং স্টুয়ার্ট ব্রডই তো (৫৯ বলে ৩৮) ভারতের হাত থেকে ম্যাচটাকে ফের বার করে নিয়ে গেল। এবং আরও একবার ভারতীয় দলের চরম ব্যাটিং ব্যর্থতা ইংল্যান্ডকে জয়ের রাস্তা তৈরি করে দিয়ে গেল।

সত্যি বলতে, একমাত্র বিরাট কোহলি ছাড়া এই দলের বাকিদের মানসিক দৃঢ়তা এতটাই তলানিতে চলে গিয়েছে যে, এদের থেকে আর নতুন কিছু আশা করার মতো মূর্খতা আর কিছু হতে পারে না। তাও বিরাট উইকেটে থাকলে কিছুটা হয়তো পাল্টা লড়াইয়ের আশা করা যেত। কিন্তু ও ফিরতেই ফের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।

আমাকে একজন আজ প্রশ্ন করছিলেন, ধওয়ন, রাহুল, পূজারা অথবা রাহানেরা বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি বাবদ যে অর্থ পেয়ে থাকেন, এবার কি সেই অর্থপ্রাপ্তির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত নয়? সত্যি বলতে, আমারও মনে হচ্ছে তেমন পরিস্থিতি চলে এসেছে। কর্পোরেট সেক্টরে যেমন টার্গেট পূরণ করার শর্ত থাকে, ধওয়নদের ক্ষেত্রেও তা চালু করা দরকার। পারফর্ম না করলে এত বিপুল অর্থ দেওয়া যাবে না। লড়াই তো দূরস্ত্‌, এরা খেলার প্রাথমিক টেকনিকগুলো পর্যন্ত ভুলে গিয়েছে। এই ম্যাচ বাঁচানোও কঠিন হচ্ছে।