বিরাট কোহলির দোসর হিসাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সিতে অনেক ম্যাচ জিতেছেন অ্যাব্রাহাম বেঞ্জামিন ডিভিলিয়ার্স। তাঁকে পাওয়ার ব্যাপারেই এবারে অনিশ্চয়তা আইপিএল শুরুর আগেই।

আসলে আইপিএলের মাঝামাঝিই ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপাক্ষিক ওয়ান ডে সিরিজ শুরু হয়ে যাচ্ছে। তারপরেই শুরু হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। সেজন্যই নিজেদের ক্রিকেটারদের আগেভাগে প্রস্তুত রাখতে চায় দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড। জোড়া টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিতে দুই দেশের হয়ে অনুশীলনে নেমে পড়বেন প্রোটিয়াজ ও ইংরেজ ক্রিকেটাররা।

সেইজন্যই আইপিএলের গোটা একটা অর্ধ দুই দেশের ক্রিকেটারদের না-ও পাওয়া যেতে পারে। সূত্রের খবর, ৭ মে আইপিএল ছাড়বেন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটাররা। আর ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা দু’পর্বে দেশে ফিরবেন। একটা দল ১ মে’র পর এবং বাকি ক্রিকেটাররা আইপিএল ছাড়বেন ১৫ মে’র পর।

অনিশ্চয়তার দোলাচলে ঝুলে থাকার ক্রিকেটারদের তালিকায় রয়েছেন এবি ডিভিলিয়ার্স (রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর), ফাফ ডুপ্লেসিস (রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টস), জেপি ডুমিনি, কুইন্টন ডি কক, ক্রিস মরিস (দিল্লি ডেয়ারডেভিলস), ডেভিড মিলার, হাসিম আমলা (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব), জোস বাটলার (মুম্বই ইন্ডিয়ান্স), স্যাম বিলিংস (দিল্লি ডেয়ারডেভিলস)।

টুর্নামেন্টের আকর্ষণ যাতে কমে না যায়, সেজন্য এখন থেকেই উদ্যোগী হয়েছে বিসিসিআই। জানা গিয়েছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাছে নিলামে তোলার জন্য মোট ৩৫১ জন ক্রিকেটারদের তালিকা পাঠানো হয়েছে বোর্ডের তরফে। ২০ ফেব্রুয়ারির নিলামে ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার একাধিক তারকা ক্রিকেটারদের ভাগ্য নির্ধারণ হওয়ার কথা— টাইমাল মিলস, ইওন মর্গ্যান, বেন স্টোকস, জনি বেয়ারস্টো, ক্রিস ওকস, অ্যালেক্স হেলস, জেসন রয়, ক্রিস জর্ডনরা।

সূত্রের খবর, বিসিসিআই দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ডের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, যাতে তাঁদের ক্রিকেটাররা ২১ মে আইপিএলের ফাইনাল অবধি ভারতে থাকে।