২০০৯ সালের পর থেকেই অনিয়মিত রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতা৷ রাজ্যকে সেই বকেয়া মহার্ঘভাতা দিতে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন। মামলার শুনানিতে তাদের দাবি, গ্রুপ-ডি কর্মীদের ১.৬১ লক্ষ টাকা ও গ্রুপ-সি-কর্মীদের প্রায় ২.১৬ লক্ষ টাকা মহার্ঘভাতা বাকি রেখেছে রাজ্য।

সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন এখন অনেকটাই বেড়েছে। দফায় দফায় ডিএ-ও বেড়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের৷ রাজ্যে ষষ্ঠ পে কমিশনের কাজ তো সম্পূর্ণ হয়ইনি, তার উপরে কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র ফারাক ৫৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এ নিয়ে ক্ষোভ অনেক দিন ধরেই বাড়ছে।

এর আগে বকেয়া পেতে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুন্যালের দ্বারস্থ হয় কর্মচারী সংগঠন। সেখানে বিচারপতি মলয় দে ও অমিত তালুকদারের বেঞ্চ স্পষ্টই জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি সম্পূর্ণ সরকারের ইচ্ছাধীন৷ এর পরেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দু’টি সংগঠন। 

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত শুনানিতে কোনও নথি পেশ করেনি রাজ্য৷ উল্টে নথি জমা দেওয়ার জন্য আরও খানিকটা সময় চান সরকারি কৌঁসুলি জয়তোষ মজুমদার৷ বকেয়া মহার্ঘভাতার পরিমাণ ঠিক কতটা জানিয়ে তিন সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামা জমা দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রে ও তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ৷

শুনানিতে সরকারি কৌঁসুলি জানান, বকেয়া টাকার হিসেব সম্পূর্ণ করতে আরও খানিকটা সময় দরকার৷ পরবর্তী শুনানির দিন ২৮ অগস্ট হলফনামা জমা দেবে রাজ্য৷