বাংলার ছোটপর্দায় যে নায়িকারা দর্শকের কাছে বরাবর খুব প্রিয়, সুদীপ্তা চক্রবর্তী তাঁদের মধ্যে একজন। সেই ‘ইষ্টিকুটুম’ থেকে ‘বিকেলে ভোরের ফুল’— সংবেদনশীল চরিত্রে তিনি অসাধারণ। ‘বিকেলে ভোরের ফুল’-এর পরে বেশ অনেকটা লম্বা ব্রেক নিয়েছিলেন সুদীপ্তা। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

আসলে টানা অনেকদিন টেলিভিশনে কাজ করার পরে একটা বিরতি তাঁর দরকার ছিল। পাশাপাশি অন্য মাধ্য়মকেও এক্সপ্লোর করতে চেয়েছিলেন। তাই এই বিরতির সময়ে বেশ কিছু ছোট ছবি করেছেন। একটি প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন পার্টনার হিসেবে। কিন্তু তিনি টেলিপর্দাকে ছাড়লেও টেলিপর্দা তাঁকে ছাড়তে চায়নি। কারণ বাংলা টেলিভিশনে ভাল অভিনেত্রীর সংখ্যা কিন্তু এখনও হাতে গোনা। 

ছবি: সুদীপ্তার ফেসবুক পেজ থেকে

সম্প্রতি ‘রেশম ঝাঁপি’-তে শুরু হয়েছে নতুন ট্র্যাক— পালাবদল। বলা যায় পুরনো ধারাবাহিকের রিলঞ্চ। সূর্য-নন্দিনীর গল্পের সূত্র ধরেই গল্প এখন ‘গৌরী’-র। এই গৌরীর চরিত্রে প্রথম থেকেই অনবদ্য সুদীপ্তা। যাঁরা এর আগে ‘বিকেলে ভোরের ফুল’ দেখেছেন, তাঁরা যখন ‘রেশম ঝাঁপি’ দেখতে বসবেন, একেবারেই অন্য রূপে দেখবেন সুদীপ্তাকে। 

‘বিকেলে ভোরের ফুল’-এ সুদীপ্তা যতটা চঞ্চল, ‘রেশম ঝাঁপি-পালাবদল’-এ তিনি ততটাই গভীর। এখানে গৌরী চরিত্রটির ক্রাইসিস অনেক বড়। তাকে ঘিরে ধর্মের নামে যে বুজরুকি চলে, তা সে মেনে নিতে পারে না। কিন্তু তার পালানোর পথ বন্ধ। তার মধ্যে ক্রমাগত যে অপরাধবোধ এবং দ্বন্দ্ব চলে, সেই জটিল অনুভূতিকে দারুণ সূক্ষ্মতার সঙ্গে তুলে ধরছেন সুদীপ্তা। 

যে কোনও অভিনেতা বা অভিনেত্রীর কামব্যাক এমনটা হওয়াই বাঞ্ছনীয়।