পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যাওয়া প্রার্থীদের ভাগ্য ঝুলেই রইল। সোমবার শীর্ষ আদালতে পঞ্চায়েত মামলা নিয়ে নির্দেশ ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু যে সব প্রার্থীদের ফলাফল এখনও ঝুলে রয়েছে তাঁদের গায়ের ‘জ্বর’ এখনও কমল না।

কারণ আগামী সোমবার অর্থাৎ ১৩ অগস্ট পর্যন্ত পঞ্চায়েত মামলার শুনানি ঘোষণা স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় সোমবার সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন না। তাই এখন মামলার শুনানি স্থগিত রাখেন প্রধান বিচারপতি।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হিসেবে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রায় ৩৪ শতাংশ আসনে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হয়নি। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, তারা শাসক দলের সন্ত্রাসের জন্য ওই আসনগুলিতে প্রার্থী দিতে পারেনি।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

সেই অভিযোগ নিয়েই বিরোধীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, যেসব আসনে কোনও লড়াই হয়নি, সেই সব আসনের ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না। 

অগস্টের মাঝামাঝি সময়ে পঞ্চায়েতগুলির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এই আসনগুলির ফলাফল ঘোষণা না করা গেলে অনেক জায়গাতেই বোর্ড গঠন পিছিয়ে যাবে। রাজ্য সরকার অবশ্য সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে, সে ক্ষেত্রে কোনও অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হবে ওই পঞ্চায়েতগুলির প্রশাসনিক কাজকর্ম দেখার জন্য। 

এবারের নির্বাচনে পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৯২১৭টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে ৩০৫৯টি আসন৷ গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ৪৮,৬৫০টি আসনের মধ্যে ১৬,৮১৪টিতে বিনা লড়াইয়ে জিতেছে শাসক দল। এছাড়াও জেলা পরিষদের মোট ৮২৫টি আসনের মধ্যে ২০৩টি আসনে কোনও লড়াই হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতার দলে আছে এক নির্দল প্রার্থীও৷