তিনি অর্জুন। সেই সঙ্গে অলিম্পিয়ান। এ হেন টেবল টেনিস খেলোয়াড় সৌম্যজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন এক নাবালিকা। ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা এমন ভয়ঙ্কর অভিযোগের পরে থেমে থাকেননি সৌম্যজিতের মা-বাবা। সেই নাবালিকার অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে সৌম্যজিতের বাবা হরিশঙ্কর ঘোষ গর্জে ওঠেন, ‘‘পুরো ঘটনাটাই মিথ্যে। আমার ছেলেকে ফাঁসানোর জন্যই এমন কাজ করা হয়েছে।’’ 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

নাবালিকার এমন কাজের পিছনে অন্য গন্ধ পাচ্ছেন সৌম্যজিতের মা-বাবা। সৌম্যজিৎকে ব্ল্যাকমেল করে তাঁর কাছ থেকে টাকাপয়সা হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই এমন কাজ করেছে ওই নাবালিকা— এমনটাই জানাচ্ছেন হরিশঙ্করবাবু। নাবালিকার আনা অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই সৌম্যজিতের বাবা পাল্টা অভিযোগ এনেছেন সেই নাবালিকার বিরুদ্ধে, ‘‘ছেলেকে মাঝে মাঝেই বিদেশে যেতে হয়। সেই সুযোগে অন্যান্য ছেলেদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াত ওই মেয়েটি।’’ সেই নাবালিকার এমন কীর্তির কথা কানে পৌঁছতেই সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা মনস্থ করেন সৌমজিৎ। সেই সুযোগে নাবালিকার মা নামী টেবল টেনিস খেলোয়াড়কে ব্ল্যাকমেল করে ২ লক্ষ টাকা দাবি করেন। 

 

হরিশঙ্করবাবুর কথার সুর তাঁর স্ত্রী বীণা ঘোষের গলায়, ‘‘ওদের দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। আমরাও রাজি ছিলাম। কিন্তু ওদের বাগদান কোনও দিনই হয়নি। কিছু দিন পরেই ছেলের কমনওয়েলথ গেমস রয়েছে। ওর সমস্ত বড় খেলার আগে এই রকম করে মেয়েটি। আমার ছেলে তো সেলিব্রিটি, তাই ওর সাফল্যের সুযোগ নিতে চায়।’’ 

 

কোথাও কি মিলে যাচ্ছেন মহম্মদ সামি আর সৌম্যজিৎ?